২৮ মার্চ ২০১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের পাথর কোয়ারি যেন মৃত্যুকুপে পরিনত হয়েছে। কিছুতেই থামানো যাচ্ছেনা এই মৃত্যুর মিছিল। আবারো দুটি পাথর কোয়ারিতে পৃথক ঘটনায় তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে দুইজন এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরপিন আরেক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হচ্ছে-গোয়াইনঘাট উপজেলার ৯নং ডৌবাড়ি ইউনিয়নের মইগড় গ্রামের নূর মিয়ার ছেলে নাজিম উদ্দিন (১৯) , পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের জামকান্দি গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে উসমান মিয়া (২৮) এবং ছাতক উপজেলার বাসিন্দা এখলাছ মিয়া(৩০)।
স্থানীয় পুলিশ তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আমাদের গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় জাফলং লামাপুঞ্জি পিয়াইন পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জাকির হোসেনের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি গর্তে নাজিম উদ্দিন ও বাহারসহ কয়েকজন শ্রমিক পাথর উত্তোলনের কাজ করছিল। এ সময় গর্ত থেকে পানি সেচের কাজে ব্যবহৃত বোমা মেশিনের পাইপ ভেঙ্গে পড়লে ঘটনাস্থলেই নাজিম উদ্দিন নিহত হয়। একই ঘটনায় বাহার মিয়া গুরুতর আহত হয়ে মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনার আড়াই ঘন্টা পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে একই এলাকায় অপর আরেকটি পাথর উত্তোলনের গর্তের পাড় ধসে উসমান মিয়া নামে এক পাথর শ্রমিক মাটি চাপা পড়ে মারা যায়।
গোয়াইনঘাট থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে থানার এস আই পিযূষ কান্তি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরণ করেন। গর্ত মালিক ও কোয়ারি সংশ্লিষ্টদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে রয়েছে বলে জানান ওসি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুর রহমান খান জানান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরপিনে গাড়িতে পাথর উত্তোলনের সময় এখলাছ মিয়া নামের এক ড্রাইভার মারা গেছে। তার বাড়ি ছাতক উপজেলায়। তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ওসি।
(আজকের সিলেট/২৮ মার্চ/ডি/কেআর/ঘ.)