১৪ এপ্রিল ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ পয়লা বৈশাখ, নতুন বাংলা বর্ষ। তাই ১৪২৮ বাংলা বর্ষকে বিদায় জানিয়ে ১৪২৯ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিয়েছে সিলেটবাসী। পহেলা বৈশাখ বাঙালীর একটি সার্বজনীন লোকউৎসব। এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে। কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হলো নববর্ষ। অতীতের ভুল ত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় উদযাপিত হয় নববর্ষ।
বৃহস্পতিবার সিলেটসহ সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে সিলেটের পরিবেশ ছিল আনন্দমুখর।
১৪২৯ সালকে স্বাগত জানিয়ে বৈশাখের প্রথম দিন সিলেট জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বের করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রিকাবীবাজারস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়ামের মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়। এই আয়োজনের সহযোগিতা করেছে জেলা শিল্পকলা একাডেমি।
শোভাযাত্রায় অংশ নেন প্রশাসনের কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন অংশ নেন শোভাযাত্রায়। এছাড়াও শোভাযাত্রায় সিলেটের বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রতীকী উপস্থাপনের নানা বিষয় স্থান পেয়েছে।
উল্লেখ্য, করোনার কারণে গত দুই বছর বন্ধ থাকার পর ইউনেস্কো কর্তৃক ‘মানবতার স্পর্শাতীত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষিত শোভাযাত্রায় এবার সশরীরে সবাই উপস্থিত হয়েছে। আবহমান বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রতীকী উপস্থাপনের নানা বিষয় স্থান পেয়েছে শোভাযাত্রায়।
মঙ্গল শোভাযাত্রার এবারের স্লোগান ‘নির্মল করো মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে’ শোভাযাত্রায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিল সিলেট নগরী।