১৮ ডিসেম্বর ২০১৭


জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ সড়কে যান চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ-পাইলগাঁও -বেগমপুর সড়কের নলজুর নদীর উপর নির্মিত ঘোষগাঁও সেতুর এ্যাপ্রোচ বিধ্বস্ত হওয়ায় এক সপ্তাহেরও বেশী সময় ধরে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। যার ফলে জগন্নাথপুর উপজেলার দক্ষিনাঞ্চলের রানীগঞ্জ, পাইলগাঁও ও আশারকান্দি ইউনিয়নের জনসাধারণ চরম দূর্ভোগে রয়েছে।

তবে এ্যাপ্রোচ বিধ্বস্তের ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণ এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছেন। তাদের গাফলতির কারনেই বার বার এ্যাপ্রোচ বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটছে। প্রায় এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও বিধ্বস্ত এ্যাপ্রোচ সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

গত ৬ ডিসেম্বর এ্যাপ্রোচের প্রায় ৫০ফুট এলাকা ধ্বসে যাওয়া অংশের এক পাশে প্রায় ২/৩ ফুট পরিমাণ স্থান দিয়ে লোকজন বিপদজনক অবস্থায় পায়ে হেঁটে সেতু পাড় হচ্ছেন। আবার অনেক লোকজন ভয়ে সেতুর পরিবর্তে নৌকা দিয়ে নদী পাড় হচ্ছেন। প্রায় বছর খানেক ধরে সেতুটির ঐ স্থানের এ্যাপ্রোচের মাটি ধ্বসে গিয়ে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডির) কর্তৃক প্রাথমিক ভাবে এ্যাপ্রোচ সংস্কার করা হলে হালকা যানবাহন চলাচল শুরু হয়। এক বছরে ৪ বার অর্থাৎ গত ৬ ডিসেম্বর আবারো এ্যাপ্রোচ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ দ্রুত সেতুটির ধ্বসে যাওয়া এ্যাপ্রোচ স্থানটি পরিদর্শন করেন এবং লোকজনদের সতর্ক অবস্থায় যাতায়াতের পরামর্শ দেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির ঢাকা অফিসের ২সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ারকে সাথে নিয়ে এ্যাপ্রোচ বিধ্বস্ত ঘোষগাঁও সেতু এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার জানান, ঢাকা থেকে একটি প্রতিনিধিদল এসে সেতুটির ধ্বসে যাওয়া এ্যাপ্রোচ পরিদর্শন করেছেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রচেষ্টায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক ২০১৩সালে ১৩কোটি টাকা ব্যায়ে ১৩৯ দশমিক ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের গার্ডার সেতুটি নির্মান করা হয়।

(আজকের সিলেট/১৮ ডিসেম্বর/ডি/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন