১০ অক্টোবর ২০২১


সিলেটে বাড়ছে জ্বর-সর্দি-কাশির প্রকোপ

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেটে ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে জ্বর-সর্দি কাশি। কারো কারো হালকা গলাব্যাথা। শিশু বৃদ্ধ মাঝ বয়সী কমবেশি সবাই আক্রান্ত হচ্ছেন। কারো হালকা জ্বর এসে কমে যাচ্ছে। কারো জ্বরের তীব্রতা বেশি। জ্বরের সঙ্গে কারো কারো সর্দি কাশি। কাশি বেশ কয়েকদিন ভোগাচ্ছেও।

ডাক্তাররা বিভিন্ন পরীক্ষা দিচ্ছেন। পরীক্ষা করলে কারো ডেঙ্গু, কারো করোনা কোনোটাই না। তবে এই সংখ্যাই অনেক বেশি। সাধারণ জ্বর। বেশ কিছুদিন ধরে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। এই গরম এই ঠান্ডা। এই রোদ এই বৃষ্টি।

ডাক্তাররা বলছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জ্বর সর্দি কাশিতে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। এখন প্রতিদিনই সরকারী হাসপাতাল সহ ফার্মেসিতে জ্বর আক্রান্ত রোগীরাই বেশি চোখে পড়ছে। পরিবারের একজনের হলে বাকি সবার হচ্ছে।

নগরীর বাসিন্দা বেলাল আহমেদ বলেন, প্রথমে আমার মেয়ের জ্বর আসে। তার একদিন পর আমারও জ্বর আসে। আমার তিনদিন পরেই কমে যায়। ডেঙ্গু ও করোনা পরীক্ষা করানো হয়েছে। এখন অনেকটা ভাল আছি। কিন্তু মেয়ের জ্বর কমে গেলেও সর্দি কাশি এখনও রয়ে গেছে। ওষুদের দোকান থেকে ওষুধ কিনে খাওয়াচ্ছি।

স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, প্রতিদিনই শতাধিক মানুষ চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। তবে ইদানীং চিকিৎসা নিতে আসাদের মধ্যে জ্বর সর্দি কাশিতে আক্রান্ত রোগিরা বেশি। তাদেরকে প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র দিয়ে নিরাপদে থাকার কথা বলছি।

চিকিৎসকরা জানান, দেশে করোনা এবং ডেঙ্গুও রয়েছে। তাই কারো জ্বর বেশি হলে ডেঙ্গু করোনা বা সিজনাল জ্বর ধরে নিয়ে বসে থাকা যাবে না। সময়ের পালাবদলে প্রতি বছরই জ্বর, সর্দি কাশি বেড়ে যায়। এবারও তাই হয়েছে। কিন্তু আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই।

চিকিৎসারা বলেন- আপনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেন, হয়তো দুইটি পরীক্ষা করতে হতে পারে। চিকিৎসক দুইটি পরীক্ষা দিতে পারেন। কিন্তু আপনি শুরুতেই চিকিৎসকের কাছে গেলে ঝুঁকিটা আর থাকলো না বা তুলনা মূলক কম ঝুঁকি রইল। পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত অন্যান্যদের আলাদা থাকতে হবে। বেশি করে তরল খাবার খেতে হবে। জ্বর আসলে পানিতে কিছু ভিজিয়ে ঘন ঘন গা মোছাতে হবে। কারণ, জ্বর বাস্প হয়ে শরীরের পানি উড়ে যায়। তাই বেশি করে তরল খাবার খাওয়ার পরামর্শ থাকছে।

শেয়ার করুন