২৪ জানুয়ারি ২০২১
নিজস্ব প্রতিবেদক : মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় সিলেটেও অসংখ্য পরিবার প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমের ঘর পেলেও এর থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সদর উপজেলার নদীভাঙ্গনের শিকার ১৫০টি ভূমিহীন পরিবার। নিরুপায় হয়ে তারা পুনর্বাসনের দাবি জানিয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। কর্মসূচি শেষে তারা জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপিও দিয়েছেন।
রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম ববাবরে একটি স্মারকলিপি দেন ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন’রা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়- সদর উপজেলার জালালাবাদ থানাধীন ৬ নং টুকের বাজার ইউনিয়নের গৌরীপুর গ্রামের ১৫০ অধিবাসী পরিবার সুরমা নদীর পাড় ভাঙনের ফলে আজ ভূমিহীন। বর্তমানে তারা ভূমিহীন ও গৃহহীন হয়ে সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কের পাশে ছোট ছোট ঝুপড়ি বানিয়ে বসবাস করে আসছে, এতে করে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবন ধারণ করা দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।
২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর এ সকল ভূমিহীনদের জন্য গৃহ বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম বরাবর আবেদন করেন তারা এবং ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রæয়ারি ফের আবেদন করা করা হয়। এছাড়া একই বছরের ২৬ জুলাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নিকটও আবেদন করেন তারা। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সুপারিশসহ আবেদনটি জেলা প্রশাসকের বরাবরে জমা করানো হয়।
উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে সমস্যা নিরসনের নির্দেশ দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
আর গত শনিবার আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক ভূমিহীন ও গৃহহীনকে গৃহ হস্তান্তর করা হলেও তাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে এই ১৫০ ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন’ পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় এনে গৃহ প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের আবেদন জানানো হয়।