২১ জুন ২০১৮


মৌলভীবাজারে কমছে বন্যার পানি, ভেঙেছে সড়ক

শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : উজানে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় মৌলভীবাজার পৌরসভা, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। তবে, রাজনগর উপজেলার বন্যার অবনতি হয়েছে। এছাড়া সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ এখনো পানিবন্দি।

এদিকে বন্যার পানি কমার পর সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের বিভিন্ন সড়কের অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার উন্নতি হলেও বাড়ছে মানুষের দুর্ভোগ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিশুদ্ধ পানি ও রাস্তা ঘাটের জন্য। জায়গা বিশেষে বন্যার স্থায়িত্ব ৪ থেকে ৬ দিন অতিক্রম করলেও অনেক জায়গায় পৌঁছায়নি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট।

এবারের হঠাৎ বন্যায় পানিবন্দি হয় জেলার ৩৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৩ লাখ মানুষ। এতে দুর্গত এলাকায় ভেঙে গেছে বিশুদ্ধ খাবার পানিসহ স্যানিটেশন ব্যবস্থা। বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার করছে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ। আর এজন্য দায়ী করা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের উদাসীনতা আর অব্যবস্থাপনাকে।

জানা যায়, বাড়ি ঘর ও রাস্তাা ঘাট থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। শহরের বাড়ইকোনায় বড়হাটের মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামতের প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে। অন্যদিকে বুধবার সকাল থেকে মনু নদের পানি বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদ সীমার ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ।

রাজনগর উপজেলার কালাইরগুল ভাঙন দেখা দেয়ায় প্রবল বেগে উপজেলার উত্তরবাগ, ফতেহপুর ও মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে।

মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম জানান, বন্যা দুর্গতদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ১৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা এবং ১১৪৩ মেট্রিকটন চাল ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। ৫ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। ৬৭ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পুনবার্সনের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার বান্ডিল টিন এবং ৩০ লাখ টাকা।

(আজকের সিলেট/২১ জুন/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন