২৮ আগস্ট ২০২৩


বালাগঞ্জ প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে টাকা দিলে মিলে ঔষধ না দিলে মিলে পানি!

শেয়ার করুন

বালাগঞ্জ প্রতিনিধি : বালাগঞ্জ উপজেলার প্রাণি সম্পদ হাসপাতালের দু-চার জন খামারী ছাড়া আর কোনো খামারীদের সুযোগ সুবিধা দেয় না। অসুস্থ গবাদীপশু, হাঁস-মুরগী, ছাগল-ভেড়া ইত্যাদি প্রাণিকে সঠিক চিকিৎসা প্রদান না করে বোতলে একটু পানি দেন। এবং সরকারি ভ্যাকসিন ও অন্যান্য ভালো ঔষধ না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার বরাবর ২৩ আগস্ট এমন লিখিত অভিযোগ করেছেন একজন খামারী।

মো. এমদাদুল হকের লিখিত অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, অভিযোগকারী একজন প্রকৃত খামারী। তিনি উপজেলার প্রাণী সম্পদ হাসপাতালের সব ধরণের সেবা থেকে বঞ্চিত। প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে অসুস্থ গবাদীপশু, হাঁস-মুরগী, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি নিয়ে গেলে কোন ধরণের সঠিক চিকিৎসা প্রদান করা হয় না। এবং সরকারি ভ্যাকসিন ও ঔষধ প্রদান করা হয় না। এগুলো তাদের (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ) কাছ থেকে টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হয়, না হইলে সংশ্লিষ্ট দোকান থেকে ক্রয় করে নিতে বলা হয়।

এছাড়াও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঠিক চিকিৎসা না পাওয়ায় ওই খামারীর ১০টি ছাগল মারা গিয়েছে। এ বিষয়ে উপ-সহকারী ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের কাছে বারবার বলার পরও তারা কোন ধরণের সঠিক পরামর্শ প্রদান করেন নি তা অভিযোগে প্রকাশ।

অভিযোগকারী এমদাদুল হক বলেন, প্রাণি সম্পদ হাসপাতালের দু-চার জন খামারী ছাড়া আর কোনো খামারীদের সুযোগ সুবিধা তেমন একটা দেয় না। সকল খামারীরা যেনো সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারে এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউএনও ম্যাডামের দ্বারস্থ হয়েছি।

গত কয়েকদিন আগে উপজেলা সদরের রহময়পুর গ্রামের লয়লু মিয়া হাস মুরগীর জন্য হাসপাতালে গেলে তাকে ঔষধ না দিয়ে ধরিয়ে দেওয়া হয় এক বোতল পানি!
এছাড়াও ওই এলাকার ফরিনা বেগম, হারুন মিয়া, আজিজুল ইসলাম, গেদনি মিয়া, মিরাজ সহ আরো অনেকের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে ঔষধ দেওয়া হয় বলে ফোনে জানান তারা।

এ ব্যপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ মিলন মিয়া বলেন, অভিযোগকারীদের অভিযোগ শুনে তাঁদের সন্তোষ্টি করার চেষ্টা করেছি এবং আগামীতে এরকম অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার হবে বলে জানান। এছাড়া নতুন বছরের ভ্যাকসিনের মূল্য তালিকা অফিসে টানিয়ে দিলে আর সমস্যা হবে না।

শেয়ার করুন