২৪ আগস্ট ২০২৩


মধ্যনগরে হাওরে মৎস্য সংকট :পোনা অবমুক্ত করণ দাবি

শেয়ার করুন

অমৃত জ্যোতি রায় সামন্ত(মধ্যনগর)সুনামগঞ্জ :সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার সবকটি হাওরেই পানিতে মাছ পাচ্ছেন না মৎস্য শ্রমিকরা।পরিশ্রমের তুলনায় মিঠছেনা অর্থনৈতিক চাহিদা।এর প্রভাবে গ্রামের বাজার সহ উপজেলা সদরে ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে।দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুম ও গ্রীষ্মের প্রচন্ড খড়ায় মা মাছ ও মাছের প্রজনন ধ্বংস হয়েছে বলে দাবী করছেন হাওর গবেষকগণ।এমতাবস্থায় হাওরের ভাসা পানিতে মাছের পর্যাপ্ত পোনা অবমুক্ত করা বিশেষ প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।না’হয় নদী,নালা,খাল,বিলে,থাকবেনা মাছ।অন্যদিকে মৎস শ্রমিকের চোখে কান্না ছাড়া আর কি?অন্যদিকে পোনা আহোরণের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধাজনক স্থান এবং নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবী করেছেন অনেকেই।

হাওর গবেষক সজল কান্তি সরকার বলেন-এর কারণ হিসেবে বলতে গেলে অনেকগুলো উঠে আসে।হাওরে বা বিলে পানি প্রবেশ ও নিষ্কাষন ব্যাবস্থা করতে হবে।হাওরাঞ্চলে সেচ বন্ধ ও মশারী জাল ব্যবহার বন্ধ করা জরুরী।হাওরে সমান্য টাকার বিনিময়ে হাঁস উন্মুক্ত ভাবে ছাড়া যাবে না।ইজারাদারদের সচেতন হতে হবে।পোনা জাতীয় মাছ হাঁস নষ্ট করে দেয়।এবং প্রজনন মৌসুমে কতৃপক্ষের তদারকি কঠোর করতে হবে।বেড়িবাঁধ যদিও উপকারী,মাছের চলাচলে অনেকটা ক্ষতি করেছে।এবছর প্রজনন মৌসুমে প্রচন্ড খড়ায় অধিকাংশ পোনা মাছ নষ্ট হয়েছে।যার ফলে সর্বদিকেই প্রভাব পরেছে।তাছাড়া পাহাড়ী ঢলে ঘোলা পানিতে অনেক মাছ আসে তবে এবছর আমাদের এলাকায় ঘোলা পানি আসেনি।ঘোলা পানিতে মাছ নয় শুধু ফসিল জমির।

মধ্যনগর উপজেলা আওয়ামী মৎসজীবি লীগের আহ্বায়ক মোঃরুহুল আমীন খান বলেন,আমি জোর দাবী জানাই মধ্যনগরের প্রতিটি হাওরেই যেন পর্যাপ্ত পরিমান পোনা অবমুক্ত করা হয়। সেদিকে প্রশাসনিক সুদৃষ্টি কামনা করছি। তবেই হাওর পারের ক্ষেটে খাওয়া মৎসজীবিদের জীবিকা রক্ষায় যথেষ্ট ভুমিকা রাখবে।

এবিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃসামছুল করিম বলেন-উপজেলায় মৎস অফিস হওয়ার পর কার্যক্রম চলবে।এখন পর্যন্ত ধর্মপাশার আওতায় রয়েছে।

শেয়ার করুন