২০ মার্চ ২০১৮


অবশেষে বাচাঁনো গেলোনা গোলাপগঞ্জের অগ্নিদগ্ধ বাবুলকে

শেয়ার করুন

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি : গোলাপগঞ্জে বজ্রপাতে গ্যাস রাইজার থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় গুরুতর আহত বাবুল আহমদ (৩৫) মারা গেছেন। অগ্নিকান্ডে শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল তার।

মঙ্গলবার বেলা ১২টা ১মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানান নিহতের খালাতো ভাই লিটন আহমদ তালুকদার।

অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় রোববার বাবুলকে প্রথমে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিন রাতেই অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল। ওই হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন বাবুল।

এর আগে বাবুলের ছোট ভাই শিবলু আহমদ জানিয়েছিলেন, বড় ভাইয়ের টাকা পয়সা যা ছিল সব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন তিনি একেবারেই নি:স্ব। অগ্নিকান্ডের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে টাকা দেওয়া হয়েছিল তাও শেষ হয়ে গেছে।

টাকার অভাবে বাবুল আহমেদের উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, রোববার (১৮ মার্চ) রাত ৩টার দিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মনাবন্দের ক্লাববাজার সংলগ্ন (টিল্লা বাড়ি) লয়লু মিয়ার কলোনিতে বজ্রপাতে গ্যাসের রাইজারে আগুন লেগে গেলে ঘুমন্ত অবস্থায় গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের পনাইরচক গ্রামের মছকন্দর আলীর অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী সেবু বেগম (২২), সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার খালেরমুখ গ্রামের বাবলু মিয়ার অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৩০), তাঁর শিশু সন্তান তাহসিন আহমদ (২), গোলাপগঞ্জের নোয়াই দক্ষিণভাগ এলাকার মৃত ইসরাইল আলীর পুত্র সেবুল মিয়া (১৬) ও একই এলাকার শাহাব উদ্দিনের পুত্র ইয়া উদ্দিন (১৮) নিহত হন।

গোলাপগঞ্জ ট্রাজেডি : টাকার অভাবে আটকে আছে বাবুলের চিকিৎসা

 

(আজকের সিলেট/২০ মার্চ/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন