৩০ এপ্রিল ২০২৩


ওসমানীনগরে অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ওসমানীনগরে অস্ত্রসহ জাকির নামের এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত জাকির জাকির আহমদ ওসমানীনগর থানার মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে।

রোববার বিকেলে সিলেট জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এতথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে শনিবার তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা যায়, ওসমানীনগর থানাধীন মোল্লাপাড়া (চেরারপাড়া) এলাকার জালাল উদ্দিন তার চাষকৃত জমি থেকে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটার সময় দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে গ্রেফতারকৃত আসামী জাকির আহমদ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে জালাল উদ্দিনকে ধান কাটার কাজে বাধা দেয়। জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে নাইম মিয়া প্রতিবাদ করায় গ্রেফতারকৃত আসামী জাকির আহমদ তার অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে নাইম মিয়াকে লক্ষ করে গুলি করে। এতে জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে নাইম মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

সংবাদ পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জাকির আহমদ (৩৪) গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রথামিক জিজ্ঞাসাবাদে টয়লেটের নকল ছাদের উপর থেকে একটি পুরাতন কালো, নীল ও ছাই রঙের সুতির লুঙ্গি দিয়ে মোড়ানো ১ টি দেশীয় তৈরী কাঠের বাটযুক্ত সচল ওয়ান ওটার পাইপগান, ১টি দেশীয় কাঠের বাটযুক্ত সচল পাইপগান, ৬ রাউন্ড লাল রঙের তাজা কার্তুজ, ১টি সবুজ রঙ্গের কার্তুজের খালি খোসা, ১ টি লাল রঙ্গের মকমল কাপড় দ্বারা তৈরী গুলি রাখার খালি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় ওসামনীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-৩০।

প্রাথমিক অনুসন্ধান এবং থানার রেকর্ডপত্র ও সিডিএমএস পর্যালোচনায় গ্রেফতারকৃত আসামী জাকির আহমদ এর বিরুদ্ধে একটি হত্যা চেষ্টাসহ মোট দুইটি মামলা পাওয়া যায়। গ্রেফতারকৃত আসামী থেকে উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজের উৎস এবং সরবরাহ দাতাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানায় পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আহত জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে নাইম মিয়া বর্তমানে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।

শেয়ার করুন