২৪ মার্চ ২০২৩


‘স্মার্ট’ হয়ে উঠছে রমজানের বাজার সিন্ডিকেট

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : রমজান আসলে পৃথিবীর সব দেশে পণ্যের দাম কমেএমনকি অমুসলিম দেশগুলোতেও। আমাদের দেশে এর উল্টোটা হয়, যে যার মতো ইচ্ছে করে দাম বাড়িয়ে দেয়। স্মার্ট বাংলাদেশে এবারের রমজানে সিন্ডিকেট বাণিজ্যে আরো স্মার্ট হয়ে ওঠেছেন ব্যবসায়ীরা ।

প্রতি বছর রমজান এলেই নিত্যপণ্যের গায়ে আগুন লেগে যায়। এটা যেন বৈধ করে নিয়েছেন ‘হারামখো্র’ মজুতদার ব্যবসায়ীরা। রমজানের আগে থেকেই সিলেটে তারা বাড়িয়ে দিয়েছে সবকিছুর দাম। তাই কাচামাল ও শাকসবজির বাজারেও আগুন লাগা থেকে শুরু করে দাম বেড়েছে মাংস, মুরগি, ছোলা, পেঁয়াজ, চিনি, খেজুর, ডাল।

শরবতে ব্যবহৃত কাগজি লেবু বাজারে রোযার আগের রাতে বিক্রি হয়েছে প্রতিহালি আকারভেদে ৬০-৮০ টাকায়। আর একটু বড় সাইজের ভালো মানের এলাচি লেবু বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।বেগুনি বানানোর লম্বা বেগুন ব্যবহার প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৯০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকা, টেমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আর কাচামরিচ স্থান ভেদে ১২০ টাকা, কলরা ৮০ টাকা। বৃহস্পতিবার বাজরে সবচেয়ে উর্ধমূল্যে বিক্রি হয়েছে কলা। ৫০ টাকার নিচে কোনো কলার হালি দেনননি বিক্রেতারা।দাম বাড়ার কারণ হিসেবে খুচরা ব্যবসায়ীরা সরবরাহ কম মানে কৃত্রিম সংকটের অজুহাত দেখাচ্ছেন ।

নিত্য ও ভেগ্য পণ্যের মধে ছোলা কেজি ৯৫ টাকা থেরেক ১০৫ টাকা, বেসন কেজি ১২০ টাকা, রকমফের খেজুরের দাম কতো তা বলাই যাচ্ছে না।

অপরদিকে ব্রয়লার মুরগি স্থান ভেদে বিক্রি হয়েছে ২৫০ টাকা থেকে ২৭০ টাকা। একইভাবে সোনালি মুরগি ৩৫০ ও লাল মুরগি ৬৯০ টাকা, খাসির মাংস ১হাজার ৫০ টাকা, আর গরুর গোশ বিক্রি হয়েছে ৭৫০ টাকা।

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পেঁয়াজ ও আদার দাম। বাজারে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ১১০-১২০ টাকার মধ্যে ছিল। এছাড়া ২০-২৫ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা কেজিতে। মোটা চাল ৫০ টাকা কেজি, আটাশ ৬৫-৭০ টাকা, মিনিকেট ৭০-৭৫ কেজি বিক্রি হচ্ছে ।

ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারে মুরগির ব্যাপক চাহিদা। কিন্তু সরবরাহ কম। পাশাপাশি মুরগির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পণ্যের দাম বাড়তি। ফলে মুরগি বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া মাছের বাজার আগুন। ২০০ টাকা কেজির নিচে কোনো মাছই নেই।

শেয়ার করুন