২৬ জানুয়ারি ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদক : সিলেটের বহুল আলোচিত শায়েখে ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী ওরফে মোহাম্মদ চৌধুরীকে নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি আজকের সিলেট ডটকম-এ ‘মোহাম্মদ চৌধুরী তুমি কার?’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হলে সিলেট বিএনপি পরিবারে তোলপাড় শুরু হয়। বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করছেন গোপনে অন্য দলের এজেন্ডা ও সিলেট বিএনপিকে জামায়াতের মধ্যে বিলিন করে দিতেই তিনি বিএনপির আশ্রয় নিয়েছেন।
বিএনপির তৃণমূলের নেতারা জানান, মোহাম্মদ চৌধুরী বিএনপির পদপদবী পওয়ার পর থেকেই তিনি দলের মধ্যে একটি নিজস্ব বলয় তৈরির কাজ শুরু করেছেন। আর এতে জোটের অন্য একটি দলের ফ্রন্টলাইনে না থাকা কর্মীদের ব্যবহার করছেন। এতে করে সিলেটে বিএনপি পরিবারে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। কিন্তু তিনি দলের চেয়ারপার্সনের কাছাকাছি থাকায় অনেকেই মুখ খুলে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না।
দলের সাধারণ নেতাকর্মীদরে মধ্যে সংশয় রয়েছেন- জামায়াতের সাবেক এমপির এই জামায়াতা ও দলটির রুকন আগামী নির্বাচনে সিলেটের বিভিন্ন আসন জামায়াতকে পাইয়ে দেয়ার মিশনে কাজ করছেন।
বিষয়টি নিয়ে সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্ঠা মাওলানা রশিদ আহমদ এ্যডভোকেট আজকের সিলেট ডটকমকে বলেন, উনার সাথে আমার অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক রয়েছে। জামায়াতের নেতারা মোহাম্মদ চৌধুরীকে তাদের রুকন (সদস্য) বলেও স্বীকার করেন।
তিনি সিলেট বিএনপির জামায়াতের মধ্যে বিলিন হওয়ার আশংকা করে বলেন, জামায়াত নেতা ও দলটির সাবেক একজন এমপির জামাতা যদি সব সময় আমাদের দলের চেয়ারপার্সনের কাছাকাছি থাকেন এবং কানমন্ত্র দেন তবে তার দলের মিশনই শুধু বাস্তবায়ন হবেনা বরং সিলেট বিএনপি জামায়াতের মধ্যে বিলিন হওয়ার আশংকাও রয়েছে। এজন্য আমাদেরকে এই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা শায়েখে ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় জেনেই অনেকটা ক্ষেপে যান এবং নিউজপোর্টালের নাম শুনার পর এটি কোথায় থাকে বলেও দম্ভোক্তি করেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আজকের সিলেট ডটকমকে বলেন, আমি একটি মিটিংয়ে তাকে দেখেছি এবং উপদেষ্ঠা হিসেবে জানি। এর বাহিরে তার সাথে আমার ব্যক্তিগত কোন চেনা জানা নেই।
(আজকের সিলেট/২৬ জানুয়ারি/ডি/এসটি/ঘ.)