১৮ জুলাই ২০২২


বঙ্গমাতা পদক পাচ্ছেন সৈয়দা জেবুন্নেছা হক

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় করে রাখতে ২০২১ সালে চালু করা হয় পদক। বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদকে ভূষিত হয়ে আসছেন। এ বছর দ্বিতীয়বার বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক দেওয়া হচ্ছে।

রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সমাজসেবা, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরুপ ৫ জন বিশিষ্ট নারী পাচ্ছেন এই পদক।
তাদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক।

রাজনীতিতে রয়েছে যার গুরুত্বপূর্ণ অবদান। দলের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে বার বার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় আহত হয়েছেন। রাজনীতির ময়দানে এক পোড় খাওয়া সিলেটের এই বিশিষ্ট নারী ব্যক্তিত্ব এ বছর ববঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক-২০২২- এর জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হওয়ায় সব শ্রেণীর মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন নেতাকর্মী থেকে সাধারণ মানুষও।

সৈয়দা জেবুন্নেছা হকের স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এনামুল হক ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার ছেলে শসসের জামালও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি বৈঠক করে পদকপ্রাপ্তদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আগে, এ পদকের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা হয়। নীতিমালা অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

পত্রিকায় প্রকাশের পর সর্বমোট ১১৬টি আবেদন পাওয়া যায়। এরপর গত ১ জুন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে এ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর পুরস্কারের জন্য প্রাথমিকভাবে আটজনের নাম সুপারিশ করা হয়। সুপারিশ করা নামের মধ্য থেকে জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পাঁচজনকে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বলে সূত্রে জানা গেছে।

রাজনীতিতে অবদানের জন্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক ছাড়াও এ বছর পদক পাচ্ছেন অর্থনীতিতে সেলিমা আহমাদ এমপি, শিক্ষায় অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ, সমাজসেবায় মোছা. আছিয়া আলম ও স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আশালতা বৈদ্য।

পদকপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেট মানের ৪০ গ্রাম স্বর্ণ দিয়ে নির্মিত পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, চার লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ও বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনে নেপথ্যের কারিগর ছিলেন। বঙ্গমাতার অবদান স্মরণীয় করার লক্ষ্যে ২০২১ সাল থেকে সরকার এই পদক চালু করা হয়।

আগামী ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকীতে এ পদক দেওয়া হবে। প্রতিবছর ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিবস উপলক্ষে আয়োজিত বঙ্গমাতা জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে মনোনীত নারীদের এই পদক প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন