২০ এপ্রিল ২০২২
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : হাওরের বাঁধ নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের প্রমাণ মিললে কঠোর হওয়ার কথা জানিয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, ২০১৭ সালের চেয়ে এবার পানি বেশি হয়েছে। তবে বাঁধের কাজ ভালো হওয়ায় এখনও তা টিকে আছে। তবে হাওরের বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবারদুপুরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত হাওর পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
সুনামগঞ্জের হাওরের এখন পর্যন্ত যে ফসল নষ্ট হয়েছে তা দেশের খাদ্য মজুতে কোনও প্রভাব ফেলবে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে দেশে খাদ্যশস্যের দাম বাড়ানো কোনও সুযোগ নেই। সাংবাদিকরা যদি এটাকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রচার করেন, তাহলে বিষয়টিকে পুঁজি করে খাদ্যশস্যের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ২-৩ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে। হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজে অনিয়ম, দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। হাওরে যে ফসল তলিয়ে গেছে সেটা সারা দেশের খাদ্য সংকটের কোনো প্রভাব ফেলবে না। সুনামগঞ্জে এ বছর ২০১৭ সালের থেকেও বেশি পানি হয়েছে তবে বাঁধের কাজ ভালো হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ কম হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজার হেক্টর ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাওরের ধান রক্ষায় সরকার সব সম কৃষকের পক্ষে কোটি কোটি টাকা দিয়ে তাকে তাহলে সেই টাকার কাজ হয়েছে কি না হয়নি সেটি দেখতে হবে। আমরা এখানে সততার সাথে কাজ করার চেষ্টা করতেছি আপনাদের সহযোগিতা হলে পরেই আমরা সবাই মিলে একসাথে কাজ করবো এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য পৌছাতে পারব।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন- সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ও জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।