১২ এপ্রিল ২০২২
আজকের সিলেট ডেস্ক : ডাক ও টেলি যোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, জাপান বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধু। দুই দেশের মধ্যে চমৎকার বন্ধুপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপান বাংলাদেশের বড় অংশিদার।
মঙ্গলবার ডাক ও টেলি যোগাযোগমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইতো নাওকির সাথে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
সাক্ষাৎকালে তারা দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদি বিশেষ করে ফাইভ-জিসহ ডিজিটাল প্রযুক্তিখাতের বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে মত বিনিময় করেন। এর বাইরেও রাষ্ট্রদূত আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য আইটিইউ নির্বাচনে টেলিকমিউনিকেশন্স স্ট্যান্ডারাইজেসনের ডাইরেক্টর পদে জাপানের প্রার্থীতার কথা মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ধারণার বিপরীতে জাপানের সোসাটি ফাইভ-পয়েন্ট জিরো ধারণাটিকে খুবই মানবিক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জাপান প্রথম মানুষকে গুরুত্ব দিয়েছে এবং পরে যন্ত্রকে। আমরাও মনে করি প্রযুক্তি মানুষের বিকল্প হতে পারে না।
তিনি বলেন, জাপান বিশ্বে প্রথম ফাইভ-জি প্রবর্তন করেছে। বাংলাদেশেও ফাইভ-জি প্রযুক্তি যুগে প্রবেশ করেছে। ফাইভ-জির আইটিইউ স্ট্যান্ডারাইজেসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গোটা দুনিয়াকে বদলে দিতে ভূমিকা রাখবে। জাপান এ ব্যাপারে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
রাষ্ট্রদূত আইটিইউ নির্বাচনে টেলিকমিউনিকেশন্স স্ট্যান্ডারাইজেসনের ডাইরেক্টর পদে জাপানের প্রার্থীতা বিষয়ে জাপানের ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স মন্ত্রী কানেকোর (KANEKO) একটি চিঠি মন্ত্রীকে হস্তান্তর করেন।
মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে জানান যে জাপানের প্রার্থিতা বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিভাগ কাজ করবে।
বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৭৩ সালে আইটিও সদস্যপদ অর্জনের পর বাংলাদেশে বৈশ্বিক টেলিযোগাযোগ এই ফোরামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের ফাস্ট সেক্রেটারি ও হেড অব ইকোনমিক ডিপার্টমেন্ট হারুতা হিরোকি (Haruta Hiroki) সাক্ষাতকালে উপস্থিত ছিলেন।