৪ মার্চ ২০২২


সিলেটে হচ্ছে ‘ওয়াসা’

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেট মহানগরীতে পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা নিরসনে ওয়াটার অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি তথা ওয়াসা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। গত বুধবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেন বলে মন্ত্রনালয়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত রোববার পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ ১৯৯৬ আইন অনুযায়ী সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় ‘পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ’ (সিলেট ওয়াসা) গঠনের কার্যক্রম গ্রহণে এক ভার্চুয়াল পরামর্শ সভায় মন্ত্রী একথা জানিয়েছিলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, সিলেট শহর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর। জনসংখ্যা ও শহর বিস্তৃতির কারণে নগরবাসীকে উন্নততর আবশ্যকীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। মহানগরীর জনগণের জন্য পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও গণমুখী সুপেয় পানি সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

সভায় মন্ত্রী জানান, সিলেট মহানগরীতে পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সিলেট ওয়াসা) গঠনের জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে গেজেট নোটিফিকেশন জারি, অর্গানোগ্রাম, চাকুরী বিধিমালা প্রণয়নসহ অন্যান্য কার্যক্রম দ্রুত গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থাকে সভায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সরকার ভূ-গর্ভস্থ উৎসের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করে ভূ-পরিস্থ পানি ব্যবহারের ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করেছে ‘এ লক্ষ্যে শহর অঞ্চলের পাশাপাশি গ্রাম অঞ্চলের নদ-নদীর পানি ব্যবহার, পুকুর খনন, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ের মাধ্যমে ভূ-পরিস্থ পানি ব্যবহার বৃদ্ধি নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

‘এসডিজি অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে ৭০ শতাংশ সারফেস ওয়াটার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ এ সময়ের আগেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবে।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন সিলেটে আগের তুলনায় জনসংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এখানে একটি ওয়াসা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি হয়ে পড়েছিল। এ উপলব্ধি থেকে সিলেট ওয়াসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়ায় তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং দ্রুত বাস্তবায়নে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন