১ জানুয়ারি ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক : নতুন বছরের প্রথম দিনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ শুরু হয়েছে। তবে করোনার কারণে গত বছরের মতো এবারও হচ্ছে না উৎসব সিলেটে । নগরীর প্রতিটি স্কুলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী বই বিতরণ করা হয়েছে। তবে এ বছরের প্রথমদিনে সব শিক্ষার্থীকে বই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা।
শনিবার সকালে সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে বই উৎসবের উদ্বোধন করেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন। এ সময় জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামসহ শিক্ষা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
নগরীর বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখা যায়, সকালে বই উৎসব না হলেও সীমিত আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ শুরু করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকেই নতুন বই নিয়ে স্কুল প্রাঙ্গণে ছোটাছুটি করছে খুদে শিক্ষার্থীরা। নতুন বই পেয়ে আনন্দে উদ্ভাসিত হয়েছে শিক্ষার্থীরা। বইয়ের ঘ্রাণে মাতোয়ারা শিক্ষার্থীরা নতুন বছরে বিগত বছরের চেয়ে আরো ভালো ফলাফল করার আশা ব্যক্ত করছেন। করোনা সংক্রমনের কারণে এবার সারা দেশে বই উৎসব হয়নি। কিন্তু শ্রেণিভেদে সকলকে ১১-১৩ জানুয়ারির মধ্যে বই দেওয়া হবে জানিয়েছেন সিলেট শিক্ষাবোর্ড।
জানা যায়, ১ থেকে ৩ জানুয়ারি ৬ষ্ঠ শ্রেণি, ৪ থেকে ৬ জানুয়ারি ৭ম শ্রেণি, ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি অষ্টম শ্রেণি ও ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারির মধ্যে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করা হবে। প্রতিটি শ্রেণিকে তিন গ্রুপে ভাগ করে বই দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষাবোর্ড।
এবার সিলেট বিভাগে সরকারি, বেসরকারি মিলিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইবতেদায়ি মাদরাসা ও কেজি স্কুলে ১৭ লাখ ১১ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এসব শিক্ষার্থীর জন্য বইয়ের চাহিদা ৭২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৯৬টি। এ ছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ে ৮ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য বইয়ের চাহিদা ১ কোটি ৫৭ লাখ।
শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, শনিবার সিলেট নগরীর দুটি প্রাথমিক ও দুটি উচ্চবিদ্যালয়ে সীমিত পরিসরে বই বিতরণের আয়োজন করা হয়। নগরীর জিন্দাবাজারস্থ সরকারি কিন্ডারগার্ডেন স্কুল ও দুর্গাকুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সিলেট বিভাগে সরকারি, বেসরকারি মিলিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইবতেদায়ি মাদরাসা ও কেজি স্কুলে ১৭ লাখ ১১ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এসব শিক্ষার্থীর জন্য বইয়ের চাহিদা ৭২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৯৬টি। এছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ে ৮ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য বইয়ের চাহিদা ১ কোটি ৫৭ লাখ।
এদিকে, নতুন বই হাতে পেয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছে শিক্ষার্থীরা।নতুন বছর মানেই হচ্ছে নতুন ক্লাসে উত্তীর্ণ হওয়া।