১০ জুলাই ২০১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হয়েছে। নদীর পানি কমার সাথে সাথে প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে- সুরমা ও কুশিয়ারার তিনটি পয়েন্টে এখনও বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে বন্যা কবলিত উঁচু এলাকার পানি নেমে গেলেও নিম্নাঞ্চলের পানি নামছে ধীরে ধীরে। ফলে পানি কমলেও দুর্ভোগ কমছেনা দুর্গত মানুষদের।
বন্যার শুরুর দিকেই পানিতে তলিয়ে যায় জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-রাস্তাঘাট। এরইমধ্যে বাজারের বেশির ভাগ এলাকার পানি নেমে গেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে, বাজারের মধ্য ভাগে এখনো কিছু পানি বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন।
এছাড়া, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জ, বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগরেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
জেলা ও ত্রাণ পুনর্বাসন কর্মকর্তা মুফজেলুর রহমান মজুমদার জানান, পরিস্থিতি ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে। সরকারি ভাবে বিভিন্ন উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গত কয়েক দিন ধরে জেলার ৮টি উপজেলা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। উপজেলা ৮টি হচ্ছে-জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর, কানাইঘাটের একাংশ, বিশ্বনাথ ও কোম্পানীগঞ্জ। বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জে ১১টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৬৩৯ জন বন্যার্ত লোক আশ্রয় নিয়েছেন।
(আজকের সিলেট/১০ জুলাই/ডি/কেআর/ঘ.)