৬ জানুয়ারি ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদায়ী বছরের মাঝামাঝি সময় সিলেটে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে ট্রিপল মার্ডার। ১৬ জুন সকালে সিলেটের গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে এক নারী ও তার দুই শিশুসন্তানের গলাকাটা ও কোপানো অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই নারীর স্বামী হিফজুর রহমানকে। দুদিন পর হিফজুরকে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
পূর্বাপর ঘটনা ও আলামত থেকে পুলিশ নিশ্চিত হয়- হিফজুরই তার স্ত্রী আলেমা বেগম এবং শিশুসন্তান মিজানুর রহমান ও আনিশাকে কুপিয়ে খুন করে। পরে তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিলে খুনের কথা স্বীকার করেন হিফজুর। এছাড়াও তার বটির কোপে স্ত্রীর গর্ভে থাকা পাঁচ মাসের সন্তানও মারা যায়।
আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হিফজুর বলেন, ১৫ জুন দিবাগত রাতে ঘুমানোর পর স্বপ্নে দেখেন ঘরের ভেতর অনেক মাছ ঢুকেছে। পরে তিনি স্বপ্নের মধ্যে সেই মাছ কেটে টুকরো টুকরো করেন। পরে হিতাহিত জ্ঞান ফেরার পর বুঝতে পারেন- তিনি স্বপ্ন দেখে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে দা দিয়ে কেটে খুন করে ফেলেছেন। এসময় তার নিজের শরীরেও দা দিয়ে আঘাত করেন হিফজুর।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার রেশ শেষ হতে না হতেই ৫ দিনের মাথায় (১৯ জুন) ‘জোড়া খুন’র ঘটনা ঘটে সিলেটের ওসমানীনগরে। ঘরের ভেতর থেকে স্কুলশিক্ষিকার গলাকাটা ও গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ‘জোড়া খুন’র রহস্য এখনও উদঘাটন হয়নি।