২০ ডিসেম্বর ২০২১


ওসমানীনগরে নৌকা পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু

শেয়ার করুন

ওসমানীনগর প্রতিনিধি : দশম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ষষ্ঠ ধাপের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরপরই ওসমানীনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নড়েচড়ে বসেছেন। আগামী ৩১ জানুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ওসমানীনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ইতিমধ্যে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা এখন শুরু করেছেন দৌড়ঝাঁপ।

ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বিভিন্ন কৌশলে তাদের প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার দলীয় মনোনয়ন পেতে জেলা, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাদের কাছে জোর লবিংও চালিয়ে যাচ্ছেন। পাড়া-মহল্লায় করছেন ছোটখাটো মতবিনিময় সভা। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে চাইছেন দোয়া ও আশীর্বাদ, দিচ্ছেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের অনেকে দলীয় মনোনয়ন ও সমর্থন চেয়ে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার সাটিয়ে নিজের প্রার্থীতা জানান দিচ্ছেন।

এবারও উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রত্যেক ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য প্রচারণা শুরু করেছেন। দলীয় প্রতীক নৌকা পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রার্থীরা। এছাড়া কোনো কোনো ইউনিয়নে যুবলীগের নেতারাও দলীয় মনোনয়ন পেতে নিজেদের চেয়ারম্যান প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন ও সমর্থনের জন্য এলাকায় দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন তাঁরা। আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা উর্ধ্বতন নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের মাধ্যমে নিজ নিজ পক্ষে শক্তিশালী সমর্থক বলয় তৈরি করে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে ব্যস্ত রয়েছেন। অনেকেই দলীয় মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলার নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তদবির শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ কেউ এলাকার ভোটারদের মাঝে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। এছাড়াও নানা রকম কৌশল অবলম্বন করে ভোটের মাঠে নিজেদের অনুকূলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন অনেকেই। দলীয় সমর্থন পেতে একই ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থীর পক্ষ থেকে চলছে নানারকম তদবির, রাজনৈতিক কার্যালয়গুলোও সরগরম হয়ে উঠেছে। দলীয় সমর্থন পাওয়ার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে ঐসব ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা জানান, গত ইউপি নির্বাচনে এলাকায় অনেক প্রার্থীর জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও তাদের মনোনয়ন না দিয়ে স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের পছন্দের ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়। এ কারণে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে অন্য প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার কারণেও দলীয় প্রার্থী পরাজিত হন। তবে এবারে আশা করছি স্থানীয় আওয়ামী লীগ, জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা খোঁজখবর নিয়ে সঠিক প্রার্থী বাছাই করবেন।

শেয়ার করুন