১৮ নভেম্বর ২০২১
ক্রীড়া ডেস্ক : সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘আয়নায়’ মুখ দেখা নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। সামাজাকি যোগাযোগমাধ্যমেও হয়েছিলেন ‘ট্রোল’-এর শিকার।
মুশফিক বলেন, আমরা খারাপ করায় মিডিয়া বা দেশের মানুষ, সবারই খারাপ লেগেছে। তবে আপনারাও (মিডিয়া) কিন্তু একটা অংশ। সবারই ব্যর্থতার অংশ এটি। এই উপলব্ধি থাকা উচিত। আমাদের যতটা খারাপ লেগেছে, অন্যদের হয়তো অতটা থাকবে না। তবে এটা সামগ্রিক একটা ব্যর্থতা। আমার কাছে মনে হয়, ব্যর্থতার জায়গাটায় যদি আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারি, পরস্পরের পাশে থাকি, তাহলে সময়টা দ্রুত পার হবে।
তিনি বলেন, বাইরে কথা তো হয়ই। বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের অনেকের কাছ থেকে জেনেছি যে অনেক কথা হয়েছে। আমরা যেসব কথা বলেছি, সেগুলোর অনেক প্রতিক্রিয়া হয়েছে। আসলে ওই সময়টায় এত চাপের মধ্যে থাকি, বিশ্বকাপ এত বড় ইভেন্ট, সেখানে বাইরে কে কী বলল, সেসব দেখে বা শুনে কিংবা ওসব ধরে রেখে পাল্টা প্রতিক্রয়া দেখানো, ওসব করা কঠিন। ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনো করিনি। আমার কথায় যদি ফিরে আসেন, আসলে আমি ইঙ্গিত দিতে চেয়েছি, মানুষ হিসেবে শুধু আমি নই, জাতি হিসেবে আমরা সবাই নিজেদের একটু আয়নার সামনে দেখতে পারি, সেটা মানুষ হিসেবেই উচিত।
আজকে আমি খারাপ খেলছি দেখে আমাকে বলবেন, কালকে ভালো খেললে তালি দেবেন, এটা এসবের অংশ নয়। সেদিক থেকে বলেছি। এখন কেউ যদি এটা ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে থাকেন বা অন্যভাবে বলে থাকেন, তাহলে আমি মনে করি আমি যেহেতু ওভাবে বলিনি, সে ক্ষেত্রে কে কী মনে করল, এটায় আমার কিছু করার নেই।
প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দেশের মাটিতে সর্বশেষ সিরিজ খেলতে পারেননি মুশফিক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে ২ ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন, তবে ৫ ইনিংসে তিনি করেছিলেন ৩৯ রান। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৬ রান করলেও জেতাতে পারেননি দলকে। পরের ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন ৮ নম্বরে।
মুশফিকুর রহিমের ওপর একটা চাপ ছিল ছন্দে ফেরার। সহ্য করতে হয়েছে সমালোচনাও।তখন মুশফিক বলেন, এসব সমালোচনা তাকে উজ্জীবিত করেছে ভালো করতে। যারা তার খেলা নিয়ে কথা বলেন, তাদের ‘আয়নায় নিজেদের মুখ’ দেখতে পরামর্শ দেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান।