১১ নভেম্বর ২০২১
নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে সিলেট বিভাগের ৪৪টি ইউনিয়নে চলছে ভোটযুদ্ধ। অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষনীয়।
বৃহষ্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিলেট জেলার সদর উপজেলার ৪টি, বালাগঞ্জের ৬টি, কোম্পানীগঞ্জের ৫টি, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ১০টি, দোয়ারাবাজারের ৯টি, হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জের ৫টি এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।
এই ৪৪টির ইউনিয়নের মধ্যে রয়েছে সিলেট সদর উপজেলার হাটখোলা, জালালাবাদ, কান্দিগাঁও ও মোগলগাঁও ইউনিয়ন, বালাগঞ্জের পূর্বপৈলনপুর, বোয়ালজুড়, দেওয়ানবাজার, পশ্চিম গৌরিপুর, বালাগঞ্জ ও পূর্বগৌরিপুর ইউনিয়ন ও কোম্পানীগঞ্জের ইসলামপুর পূর্ব, তেলিখাল, ইছাকলস, উত্তর রনিখাই ও দক্ষিণ রনিখাই ইউনিয়ন।
সুনামগঞ্জের ছাতকে কালারুকা, ছাতক, ছৈলা আফজালাবাদ, খুরমা উত্তর, খুরমা দক্ষিণ, চরমহল্লা, দোলারবাজার, ইসলামপুর, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ও জাউয়াবাজার ইউনিয়ন, দোয়ারাবাজারের বাংলাবাজার, দোয়ারাবাজার, লক্ষিপুর, সুরমা, দোহালিয়া, পান্ডারগাঁও, বোগলাবাজার, নরসিংপুর ও মান্নারগাঁও ইউনিয়ন।
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে আজমিরীগঞ্জ, বদলপুর, জলসুখা, কাকাইলছেও ও শিবপাশা ইউনিয়ন এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় জায়ফরনগর, পশ্চিম জুড়ী, পূর্বজুড়ী, গোয়ালবাড়ি ও সাগরনাল ইউনিয়নে নির্বাচন।
এদিকে, দ্বিতীয় ধাপে সিলেটে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনী এলাকায় বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে টানা ৫৪ ঘন্টা মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া বুধবার মধ্যরাত থেকে ২৪ ঘন্টা বন্ধ থাকবে ইঞ্জিনচালিত যানবাহন। দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে এ নির্দেশনা এসেছে।
জানা গেছে, এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করছে না। তবে দ্বিতীয় ধাপে সিলেটের বিভিন্ন ইউনিয়নে দলটির ২০ জনেরও বেশি নেতা ও কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন। শুধুমাত্র সিলেট জেলাতেই অন্তত ১৫ জন বিএনপি নেতা-কর্মী আছেন ভোটের মাঠে।
তবে জেলা বিএনপি বলছে, যেসব দলীয় নেতা-কর্মী প্রার্থী হয়েছেন, তা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সাথে দলের কোনো সম্পর্ক নেই।
অপরদিকে, ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহীদের নিয়ে বেশ বিপাকে আছে আওয়ামী লীগ। সিলেটের সিংহভাগ ইউপিতেই দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন নেতা-কর্মীরা। এজন্য তাদেরকে বহিষ্কারও করা হচ্ছে। সিলেট জেলাতেই গত কয়েকদিনে ১২ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যান্য ধাপেও যারা বিদ্রোহী হবেন তাদের বিরুদ্ধ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ।