৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোট গ্রহণের বাধা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক।
শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে তার এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া, ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটারদের ফিরিয়ে দেওয়া ও কোনো কোনো কেন্দ্রে লাঙ্গলের ভোটারদের জোরপূর্বক নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছেও অভিযোগ করেছেন বলে জানান আতিক।
তিনি বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জের ৭টি কেন্দ্র আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দখল করে নিয়েছেন। এর মধ্যে উপজেলার পিটাইটিকর, কাসিম আলী স্কুল ও উপজেলা সদরের চন্ডিপ্রসাদ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে লাঙ্গলের এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। ভোটারদেরও মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, দক্ষিণ সুরমার কুচাই শ্রীরামপুর সেন্টার থেকে লাঙ্গলের এজেন্ট বের করে দেওয়া এবং লাঙ্গলের ভোটারদের জোর করে নৌকায় ভোট দেওয়ানোর অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে রিটার্নিং কর্মকর্তা এম কাজী এমদাদুল ইসলামের মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এবারই প্রথম সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ আসনের নির্বাচনে তিন উপজেলার সাড়ে ৩লক্ষাধিক ভোটার ব্যালট বিহীন ইলেক্ট্রনিক্স ভোটিং মেশিনে (ইইভএম) ভোট দিচ্ছেন।
এ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব, জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান আতিক, বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ও সাবেক সাংসদ শফি আহমেদ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া।
এ উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব, জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান আতিক, বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ও সাবেক এমপি শফি আহমেদ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া।
চলতি বছরের ১১ মার্চ করোনায় সংক্রমিত অবস্থায় সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ এ আসনের এমপি আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী মারা যান। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৩ এর দফা (৪) অনুযায়ী, আসনটিতে নির্ধারিত ৯০ দিন, ৮ জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও করোনার তা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় ৮ জুনের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তফসিল ঘোষণা করে ইসি। সেই তফসিল অনুযায়ী গত ২৮ জুলাই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ফের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এর দু’দিন আগে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেন আদালত। পরবর্তীতে ৪ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করে নির্বাচন কমিশন।