২৬ অক্টোবর ২০২১
আজিজুল আম্বিয়া, লন্ডন অফিস : নতুন কমিটি গঠনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে প্রায় এক যুগ পর। এ অবস্থায় ব্যাপক সাঁড়া পড়েছে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে। বিশেষ করে নেতৃত্বে আসতে ইচ্ছুকদের অনেকেরই রাতের ঘুম হারাম হওয়ার মত অবস্থা বলে জানিয়েছে ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো। বিভিন্ন পদপ্রত্যাশীদের নিয়ে আলোচনা চলছে।
জানা গেছে, বহির্বিশ্বে রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞে সবচেয়ে এগিয়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসীরা। এটি অবশ্য সেই পাকিস্তান আমল থেকেই। আর মহান মুক্তিযুদ্ধে সেদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ প্রবাসীদের অবদানতো ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করেছে। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে সে এক অসাধারণ ত্যাগ আর বীরত্বের উদাহরণ। সেই থেকে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের প্রতি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীদের বিশেষ নজর সবসময়ই থাকে। আছে এবারও।
দেশের একটি জেলা ইউনিটের সমমর্যাদা সম্পন্ন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন নিয়ে বরাবরই সেখানে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। যথারীতি এবারও তাই দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সেখানে অবস্থানরত নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো।
এর আগে সর্বশেষ যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন হয়েছিল ২০১০ সালে। সেই কমিটির সভাপতি ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সুলতান মাহমুদ শরীফ আর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক।
এবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ডজনখানেক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। এরমধ্যে সভাপতি হিসাবে আলোচিত নামগুলো হচ্ছে বর্তমান কমিটির প্রথম সহ সভাপতি জালাল উদ্দিন, সহ সভাপতি অধ্যাপক আবুল হাশেম, মজম্মিল আলী, হরমুজ আলী, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক ও বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমেদ চৌধুরী।
আর সাধারণ সম্পাদক পদেও অন্য অনেকের নাম আলোচিত হচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক হিসাবে আরও যাদের নাম আলোচনায় আছে তারা হলেন- যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও নঈম উদ্দিন রিয়াজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, দফতর সম্পাদক শাহ শামীম আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আ স ম মিসবাহ।
অক্টোবরের শেষের দিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্য সফরে আসছেন। ৭ নভেম্বর বিকালে লন্ডনের কুইন দ্বিতীয় এলিজাবেথ সেন্টারে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভার্চুয়ালি সভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। প্রবাসী নেতাকর্মীদের ধারনা, সেদিনই যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করতে পারেন তিনি।