২৭ জুলাই ২০২১
ডেস্ক রিপোর্ট : করোনা পাল্টে দিয়েছে মানুষের জীবনধারা। প্রয়োজনের তাগিদে ঘর থেকে বেরোচ্ছে মানুষ। জীবন-জীবিকার তাগিদে স্বাস্থ্যবিধি থেকে যাচ্ছে উপেক্ষিত। কঠোর লকডাউনেও অন্নের সংস্থানে করোনার ভয়কে তুচ্ছ করে দেখছেন সাধারণ মানুষ। কঠোর লকডাউনের পঞ্চম দিনে মানুষের চলাচল বেড়েছে সড়কে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পাশ কাটিয়ে চলছে হালকা যানবাহন।
মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। তাছাড়া নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় না রেখেই লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য কিনছে সাধারণ মানুষ। টিসিবির অব্যবস্থাপনায় পণ্য না পাওয়ার অনিশ্চয়তা ও মারামারিসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে নিম্ন আয়ের ভোক্তারা।
টিসিবির ট্রাক থেকে কম দামে পণ্য কিনতে নিম্ন আয়ের মানুষ করোনার ভয়কেও তুচ্ছ করে দেখছেন। ফলে নগরের রিকাবিবাজারে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে ট্রাকের পেছনে মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। উপস্থিত লোকজনকে লাইনে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অপেক্ষমান থাকতে দেখা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাকালে নিম্ন আয়ের লোকজন সংসারের খরচ মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছেন। মধ্যবিত্তরাও সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। যে কারণে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে টিসিবির পণ্যে ভরসা অনেকের।
নগরের রিকাবিবাজারে টিসিবির ট্রাকে পণ্য বিক্রয়ে কর্মরতরা বলেন, কঠোর লকডাউন ব্যতিরেকে অন্য সময় টিসিবির পণ্য কিনতে এতো মানুষের ভিড় হয় না। অথচ করোনাকালে কঠোর লকডাউনে টিসিবির গাড়ির অপেক্ষায় আগে থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন লোকজন।
এদিকে কঠোর লকডাউনে নগরের ছয়টি প্রবেশদ্বারসহ বিভিন্ন পয়েন্টে চৌকি বসিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তল্লাশি চালালেও থেমে নেই যানবাহন চলাচল। প্রধান সড়ক ও অলিগলি দিয়েও অন্যান্য দিনের তুলনায় যানবাহন চলাচল বেড়েছে। সেইসঙ্গে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা নগরে দাপিয়ে বেড়িয়েছে। সেইসঙ্গে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর দোকানও অর্ধেক শাটার খোলা রেখে ব্যবসা করতে দেখা গেছে।
এসএমপির মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনারবি এম আশরাফ উল্লাহ তাহের বলেন, জরুরিসেবা ছাড়া অন্য কোনো দোকানপাট খোলা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানাও হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বেরোলে জরিমানা গুনতে হচ্ছে। তবে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া লোকজনকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে।