১৩ এপ্রিল ২০২১
নিজস্ব প্রতিবেদক : বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাস রমাদান। একইদিনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউনে যাচ্ছে দেশ। এসময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না। এমন অবস্থায় রমজান আর লকডাউনের আগের দিন প্রয়োজনীয় কাজ আর বাজার করতে নগরীতে মানুষের ঢল নেমেছিল।
সকাল থেকেই নগরী ও আশেপাশের উপজেলা থেকে জনসাধারণ নগরে প্রবেশ করেন। এতে নগরের অলিগলিতে বাড়তে থাকে প্রচণ্ড ভিড়। সেই ভিড়ে উধাও হয়ে যায় স্বাস্থ্যবিধি। তিন ফুট দূরত্ব তো দূরে থাক কারো মুখেই ছিল না মাস্ক। দোকানপাট, ফুটপাত, মার্কেট কিংবা ব্যাংকগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যে বরাবরের মতো এবারও উপেক্ষিত থাকে স্বাস্থ্যবিধি। এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি বেড়েছে।
বিশেষ করে নগরীর বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, শিবগঞ্জ এলাকায় ‘চলমান বিধি নিষেধেও’ ছিল যানজট। কোথাও কোথাও মানুষ দীর্ঘসময় যানজটে আটকে ছিলেন। এছাড়া নগরের বিভিন্ন এলাকায় ছিল গাড়ির সংকট। বেশিরভাগ গাড়িতেই ছিল মানুষের ভিড়। এতে অনেকেই দীর্ঘসময় অপেক্ষা করে গাড়ি পাননি। নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে পারেননি গন্তব্যে।
তবে মাঝেমধ্যে দু-একটা সিট খালি রেখে আসা গাড়িগুলো সামনে আসলেই মানুষ সেখানে ঝাঁক-বেঁধে উঠার চেষ্টা করছেন। অনেকে গাড়ির পেছনেই বাদুড়ঝোলা হয়ে গন্তব্যে ছুটে চলছেন। এই সুযোগে গণপরিবহণগুলো অতিরিক্ত বাড়া নেওয়ার অবৈধ প্রতিযোগিতায় মেতে উঠতে দেখা যাচ্ছে। আর নির্দিষ্ট বাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ বাড়া দিতেও মানুষের কোন আপত্তি নেই। যে করেই হোক গাড়ি তো পাওয়া যাচ্ছে, তাতেই যেন সন্তুষ্ট। নগরীতে জনসমুদ্রের মাঝে গাড়ির একটি সিটই যেন সোনার হরিণ পাওয়ার মতো বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।