১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
ডেস্ক রিপোর্ট : গিয়াস উদ্দিন, সিলেট নগরীর মঈন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ দিন। এর মধ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধভাবে অধ্যক্ষের চেয়ার দখল করে রাখা, তাঁর গাফিলতিতে দীর্ঘদিন শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা না পওয়ার সহ বিভিন্ন অপকর্মে বিতর্কিত হয়ে পড়েছিলেন।
এনিয়ে যমুনা নিউজ সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বেকায়দায় পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত অবৈধভাবে দখল করে রাখা অধ্যক্ষের চেয়ারটি ছাড়তে হয়েছে তাকে। তবে এই শেষ কাজটিও করেছেন অবৈধ ভাবে। তিনি জ্যেষ্ঠতা ক্রম ডিঙ্গিয়ে চুপিসারে নিজের আস্থাভাজন ও অনেক কৃতকর্মের সহযোগী রসায়ন বিভাগের শিক্ষক কৃষ্ণপদ সূুত্রধরকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দিয়েছেন। আর এটি নিয়ে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।
জ্যেষ্ঠ শিক্ষকের সিরিয়ালের এক নাম্বারে থাকা কলেজের দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক সুপর্ণা রায় গত ১৬ সেপ্টেম্বর এই অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর পরই কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও বিভাগীয় কমিশনার এই নিয়োগে সম্মতি দেননি।
জানা যায়, কলেজের নিয়ম অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা ভিত্তিতে অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়া হয়।
এই ক্রম অনুযায়ী (১) সুপর্না রায়, (২) পার্থ সারথি নাগ এবং (৩) কৃষ্ণপদ সূুত্রধর। এই ক্রমের ১ এবং ২ নাম্বারে থাকা শিক্ষককে বাদ দিয়ে নিজের আস্থাভাজন এবং পছন্দের লোক হিসেবে ক্রমে তৃতীয় থাকার পরও তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পাওয়া কৃষ্ণপদ সূুত্রধর বলেন, আমাকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়া হলেও এটি অবৈধ হওয়ায় আমি নেইনি। এখন কলেজের গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ দেয়া হবে। সেখানে যদি আমাকে নিয়োগ দেয়া হয় তবেই আমি দায়িত্ব নেব।