রবিবার (১৯ জুলাই) বিকালে ভ্রাম্যমান আদালত এই জরিমানা করেন।
ডাক্তার শাহ আলম নিজেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের ডাক্তারের পরিচয় দিয়ে বিদেশগামীদের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা আদায় করে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট দিতেন।
তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর থেকে জানা যায়, তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের সনদপ্রাপ্ত একজন চিকিৎসক।
এছাড়া গত ১৪ জুলাই তার করোনা পরীক্ষার ফলাফলে সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপরও তিনি চেম্বারে রোগী দেখেছেন। দিয়েছেন করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সার্টিফিকেটে নিজেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের মেডিকেল অফিসার বলে উল্লেখ করেছেন শাহ আলম। প্রতিটি সার্টিফিকেট দিয়ে শাহ আলম হাতিয়ে নিচ্ছেন ৪ হাজার টাকা। বাংলাদেশে উপসর্গহীন রোগীদের করোনা পরীক্ষার সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করছেন সার্টিফিকেটে।
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের উপ-পরিচালক হিমাংশু লাল রায় বলেন, ডা. এ এইচ এম শাহ আলম নামের কোনো মেডিকেল অফিসার তাদের এখানে নেই। প্যাডে নিজেকে ওসমানী মেডিকেলের চিকিৎসক লিখে থাকলে তিনি রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।
এ বিষয়ে মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসের সিলেটের মহাব্যবস্থাপক এম এ মতিন মাসুক বলেন, আমাদের বিপনন কর্মকর্তারা ডা. এ এইচ এম শাহ আলমকে ওসমানী মেডিকেল কলেজে কাজ করতে দেখেছেন। তাই তার কাগজপত্র আর যাচাই করা হয়নি। আর ১৬ জুলাই করোনা সংক্রমনের কথা অবগত হলেই এই চিকিৎসককে চেম্বারে আসতে নিষেধ করে দিই আমরা।