১ জুন ২০২০


শামসুদ্দিন হাসপাতালের আইসোলেশনে দুই জনের মৃত্যু

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নগরের দরগাহ মহল্লার বাসিন্দা সৈয়দ গোলাম মুহিত (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে রোববার (৩১ মে) বিকেল ৫টার দিকে। তিনি শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগ নিয়ে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। করোনায় মৃত্যু হয়েছে এমন ধারণা থেকে রোববার মধ্যরাতেই তাকে দাফন করা হয়। অপর ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে রাতে।

হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সুশান্ত কুমার মহাপাত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মৃত দুইজনের মধ্যে একজনের করোনা ছিল বলে আমাদের সন্দেহ। তাই তাকে রাতেই মানিক পীরের টিলায় দাফন করা হয়েছে। অন্যজনের মৃত্যু বার্ধক্যজনিত রোগে হয়েছে বলে আমাদের ধারণা। তাই তার লাশ সোমবার সকালে দাফন করা হয়।

মৃত দুজনেরই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে ডা. সুশান্ত কুমার মহাপাত্র বলেন, নমুনা পরীক্ষা হলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কি না। তবে দুজনেরই দাফন সংক্রামণবিধি অনুযায়ী হবে।

এর আগে রোববার সকাল ১০টার দিকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে করোনায় মারা যান বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের তাজপুর (মাজারপট্টি) গ্রামের তমছির আলী (৭৫)। নামাজে জানাজা শেষে রোববার বিকেল ৪টায় গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন অনুযায়ী তাকে দাফন করা হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তমছির আলীর শরীরে কয়েকদিন থেকে করোনার উপসর্গ দেখা যায়। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তিও পর শনিবার রাত ১টার দিকে তার করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। রিপোর্টপ্রাপ্তির পর তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে নেয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা পর রোবরার সকালে তিনি মারা যান। করোনায় আক্রান্ত হয়ে রোববার সকাল পর্যন্ত সিলেট জেলায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তমছির আলীকে নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪ জনে। আর সিলেট বিভাগে করোনায় মোট মারা গেছেন ১৮ জন।

শেয়ার করুন