২৮ মে ২০২৩
ছবি সংগৃহিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরীর লালাদিঘিতে পড়ে দুই কন্যশিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহত শিশুরা সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তাদের বয়স ৭ থেকে ৮ বছরের মধ্যে। তাদের একজন ওই এলাকার দিনমজুর সেলিম মিয়ার মেয়ে তাইবা (৭)। অপরজন একই এলাকার মামুন মিয়ার মেয়ে হাবিবা (৮)।
রোববার বিকেল ৩টার দিকে তারা বাসা থেকে বের হয়েছিল। এরপর তাদের আর খুঁজে পাচ্ছিলেন না পরিবারের লোকজনজন। বিকেল ৫টার দিকে দিঘির পানিতে এক শিশুকে ভেসে থাকতে দেখে লোকজন জড়ো হন। তখন স্থানীয় এক যুবক গোসল করতে গিয়েছিলেন। তিনিই তাদের লাশ উদ্ধার করেন। তবে তখনো তিনি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত ছিলেন না।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারের সময় তাদের শরীর স্পন্দনহীন ছিল। মা বাবা ঘরে নিয়ে বসে কাঁদছিলেন। এরপর এলাকাবাসী শিশুদের লাশ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এদিকে এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে গোটা লালাদিঘির পাড় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সবাই হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। লাশ ওসমানীতেই আছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কিভাবে তারা দিঘিতে নেমেছে তা কউ জানেনা। ধারনা করা হচ্ছে, নিরাপত্তা দেয়াল না থাকায় শিশুদের একজন হয়ত খেলতে খেলতে পানিতে পড়ে যেতে পারে। আর তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে হয়ত অপরজনও ডুবে যায়।
সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালী থানার লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রাশেদ ফজল ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। তিনি বলেন, ঘাটের দেয়াল উঁচু হওয়ায় হয়ত বাচ্চারা উঠে আসতে পারেনি। তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে পরে বিস্তারিত জানানো যাবে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দিঘির চারপাশে রেলিং না থাকায় প্রায় সময় পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। শিশুরা খেলা করতে গিয়ে পানিতে পড়ে যায়। তাই দিঘির চারপাশে রেলিং করা সময়ের দাবি।