৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০
ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশ পুলিশ সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) জয়দেব কুমার ভদ্র বলেছেন, গীতা কিংবা অন্য ধর্মের মূল কথা হচ্ছে মানুষ যেন ভালো থাকে, সমাজে যেন শান্তি-শৃঙ্খলা থাকে। গীতা একজন মানুষের জীবনের গাইডলাইন, ফিলোসফি। একটা সমাজ এবং জীবন ভালো থাকার দর্শন। আমাদের গীতা বুঝা এবং নিজের জীবনে তার নির্দেশ পরিচর্যা করা দরকার। ধর্মের মূল শর্ত মানুষকে ভালোবাসা, বিভেদ না করা, হিংসা-বিদ্বেষ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা।
শুক্রবার সিলেট জেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি-বাগীশিক সিলেট জেলা সংসদ আয়োজিত সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। দিনব্যাপী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাগীশিক সিলেট জেলা সংসদের সভাপতি ডা. মালি রাণী দে।
আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট তপন কান্তি দাশ। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন করেন রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম সিলেটের শ্রীমৎ স্বামী হরিদাসানন্দজী মহারাজ।
শ্রীমদ্ভগবদ গীতা পাঠ ও পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি দেশপ্রিয় চৌধুরী বিনয়।
পাপিয়া চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- অধ্যাপক এল নন্দলাল সিংহ, অধ্যাপক বিজিত কুমার দে, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সিলেট জেলার সভাপতি প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য, শ্রীমা সারদা সংঘের সম্পাদিকা বীথিকা দত্ত, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পুলিন রায়, প্রভাষক দীপক চন্দ্র, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি প্রকৌশলী পি. কে চৌধুরী, তপন মিত্র, নিরেশ দাশ।
এসময় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক ডা. অঞ্জন কুমার দাশ, সভায় সাংগঠনিক বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় দাস ধনু।
এছাড়াও সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন- দিলিপ কুমার শীল, তপন কান্তি ধর, সাংবাদিক রজত কান্তি চক্রবর্তী, প্রনত দে,দিলিপ দে,বিজিত দে,রুপক দে, দুর্গা কুমার দাশ, ডা. নকুল কুমার বিশ্বাস, সঞ্জয় দাশ, গোপাল চন্দ, হরিপ্রসন্ন চক্রবর্তী, মতিলালবাবু, ডা. বীরেন্দ্র চন্দ্র দেব, নীরেশ দাস, এডভোকেট বিশ্বজিৎ ঘোষ, ডা. দিলীপ দাস, শ্রাবন্তী দাস, বিজু লাল দে, অশোক দেব, শ্রীবাস ব্যানার্জী শিবা, বনমালী ভট্টাচার্য, বিনয় ভূষণ তালুকদার, শিলা চৌধুরী, ভজন লাল দাস, শ্রীদাম দাস, দীপক চন্দ্র শীল, সুজাতা দে, পলাশ দাস, ডা. শিবানী আচার্য্য, ডা. বাবলী রাণী সিনহা, কল্লোল সেন, প্রকৌশলী সুমন সেন, যিশু সেন, পার্থ সারথি আইচ, দিলীপ কুমার শীল ও তপন কান্তি ধর, শম্পা দাস, ডা. শুক্লা দাস, ডা. সুপ্তা, ডা. পলি, ডা. সুপান্তি, ডা. বিকাশ চক্রবর্তী, ডা. স্বপ্না আচার্য্য, ডা. তাপস কান্তি দে, প্রঞ্জা দে, রিংকু দে , ধনঞ্জয় দাস ধনু, ত্রিদিব দে প্রমুখ।
সম্মেলন শেষে অভিষেক এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।