৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি : হাড় কাঁপানো শীত এখন চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। শীতে জবুথবু সব বয়সী মানুষ। বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহও। দুইদিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে এখানে।
মঙ্গলবারও শ্রীমঙ্গলে ছিল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শ্রীমঙ্গলে আবহাওয়া কার্যালয়ের আবহাওয়া সহকারী মো. জাহেদুল ইসলাম মাসুম বলেন, মঙ্গলবার উপজেলায় তাপামাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই সারাদেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ছিলো ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা ছিলো ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সকাল ৯টায় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি কমে গেছে ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিদিন সকালে দু’বার করে রেকর্ড নিলেও মিনিমাম টেম্পারেচারের ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকাল ৯টার রেকর্ডটাই নির্দেশানুযায়ী চূড়ান্ত বলে আমাদের
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আর্কাইভ সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৮ সালে ৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিলো ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ১৯৬৬ সালের ২৯ জানুয়ারি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৯৫ সালের ৪ জানুয়ারি, ২০০৭ সালের ১৭ জানুয়ারি এবং ২০১৩ সালের ১০ জানুয়ারি শ্রীমঙ্গল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিলো ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. পার্থসারথি দত্ত কাননগো বলেন, আমাদের হাসপাতালে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাই বেশি। এই তীব্র শীতে বিশেষ করে শিশু এবং বৃদ্ধরা বেশি এফেকটেড। তাই তাদের ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নিতে হবে। এই সময়ে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা দেয়। তাই ঘরের খাবার ছাড়া বাইরের খাবার বা খোলা খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।