১৪ নভেম্বর ২০১৯
ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি : ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা ইয়াসমিনের নানা কর্মকান্ডে অতিষ্ট হয়ে তার উপযুক্ত বিচার ও অপসারণ দাবি করে উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ।
বৃহস্পতিবার ৫ জন ইউপি চেয়ারম্যান লেইস চৌধুরী, সুফিয়ানুল করিম, কাজী বদরুদ্দোজা, আহমেদ জিলু ও এমরান আহমেদের সিল ও সাক্ষরিত পত্রে উপজেলা চেয়ারম্যানকে জানান, উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা ইয়াসমিন বিভিন্ন সময় বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্ম দিয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে নানা ভাবে সমালোচিত হচ্ছেন।
গত ৫ নভেম্বর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা ইয়াসমিন উপজেলার কৃষি সভায় অনুপ্রবেশ করে ঝগড়া করেন মাইজগাঁও ইউনিয়নের দুই দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান সুফিয়ানুল করিমের সাথে। সেই সাথে সুফিয়ানুল করিমের বিরুদ্ধে ঘটনার দিন রাতেই ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় জিডিও দায়ের করেন। জিডি নং ২৩৩। এরপরের দিন সেলিনা ইয়াসমিন তার ফেইসবুক একাউন্টে পোস্ট করেন প্রয়োজন আমি মানুষ খুন করতে পারি। আমার দ্বারা এমন কোন কাজ পৃথিবীতে অসম্ভব বলতে কিছু নেই সব কিছু আমার সম্ভব। আমি কখনো কখনো যেমন ভয়ংকর তেমন শক্তিশালী। আপত্তিকর একটি পোস্ট শেয়ার করে আবারো সমালোচনায় আসেন। এর আগে মুহলা ভাইস চেয়ারম্যান শপথ গ্রহণের দিন ধর্মানুভুতিতে আঘাত করে বক্তব্য বলেন ফেঞ্চুগঞ্জের মানুষ ধর্ম মানে না! এই বক্তব্যে কড়া সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। আলোচনা শুরু প্রথম দিন থেকেই।
পত্রে চেয়ারম্যানগণ আরো উল্লেখ করেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা ইয়াসমিন ঘিলাছড়া এলাকার সরকারি গাছ চুরির ঘটনায় চুরদের পক্ষ নিয়ে তৎকালীন ফেঞ্চুগঞ্জ এসিল্যান্ডের দুর্ব্যবহার আলাপ সাথে ভয়েস রেকর্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরে ফেঞ্চুগঞ্জে জঙ্গি নেই কিন্তু জঙ্গির শিকড় আছে এমন বক্তব্য দিয়ে আবারো সমালোচনা সৃষ্টি করেন। ফেঞ্চুগঞ্জ পুলিশ প্রশাসন আয়োজিত সভায় পুলিশ কমিশনার সামনে জঙ্গি কথা বলে আবারো আলোচনায় আসেন।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৫ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা ইয়াসমিনের উপযুক্ত বিচার ও অপসারণ না হওয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ উপজেলা পরিষদের কোন সভায় অংশ নিবেন না।