২১ আগস্ট ২০১৭


মৌলভীবাজারে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, আটক ১

শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ১০ম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে এনে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে অভিযুক্ত সাদ্দামকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার দুইদিন পর শনিবার রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন।

অভিযুক্তরা হলো, পৌর শহরের জালালীয়া রোডের বাসিন্দা বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. সাদ্দাম (২৫), শহরতলীর রামনগরের সিদ্দেক মিয়ার ছেলে শাহীন মিয়া (২২), একই এলাকার মৃত আনোয়ার মিয়ার ছেলে মো. ওয়াহিদ মিয়া (২২) এবং সিন্দুরখাঁন রোডের বিল্লাল মিয়ার ছেলে ইউসুফ মিয়া (২৫)।

নির্যাতিতার বাবার লিখিত অভিযোগে জানা যায়, ঘটনার দিন ১৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে মেয়ে ও তার মা সাইটুলা গ্রামে নানা বাড়ি থেকে কালীঘাট সড়কের ফুলছড়া রাস্তায় গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেটে বাসার দিকে আসছিলো। হঠাৎ পিছন দিক থেকে একটি সাদা কার গাড়ি তার মেয়েকে ঝাঁপটে কয়েকজন লোক গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়। পরে জালালীয়া সড়কের একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে বখাটে সাদ্দাম ও সহযোগীরা ধর্ষণ করে। ধর্ষণের অজ্ঞান অবস্থায় তারা মেয়েকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রেখে চলে যায়। এর মধ্যে তার স্ত্রীর মোবাইলে কে বা কারা ফোন দিয়ে জানায় তার মেয়ে হাসপাতালে আছে। এ খবর শুনে তিনি দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে দেখেন তার মেয়ে চিকিৎসাধীন।

সেখানে নির্যাতিতার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসার একদিন পর তার মেয়ের জ্ঞান ফিরলে বিস্তারিত ঘটনা জানায়।

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি নজরুল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত সাদ্দাম ঘটনাটি অস্বীকার করে বলে, তার সাথে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। মেয়েটি তা নাকচ করলে চড় মারে। এতে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

তিনি আরো জানান, সোমবার সকালে অভিযুক্ত সাদ্দামকেআদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

(আজকের সিলেট/২১ আগষ্ট/প্রতিনিধি/এসটি/ঘ.)

শেয়ার করুন