১৫ ডিসেম্বর ২০১৮


বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও নির্বাচনী সভায় ড. মোমেন

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেট-১ আসনে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও কূটনীতিবিদ ড. এ.কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার রাজনীতিতে বিশ্বাস। এর প্রমাণও দিয়েছে বিগত সময়ে। বিশেষ করে গত ৫ বছরে করা সিলেট নগরীর উন্নয়ন কাজ এর প্রত্যক্ষ প্রমাণ। বিরোধীদলের মেয়র থাকার পরেও বর্তমান সরকার যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে বিএনপি সরকারের আমলে এ রকম বরাদ্দের কোনো নজির তারা দেখাতে পারবে না। অথচ এসব উন্নয়ন নিয়েও এখন মিথ্যাচার করা হচ্ছে, বিভ্রান্ত করা হচ্ছে জনগণকে।

গতকাল শুক্রবার সিলেট নগরী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, পথসভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

ড. মোমেন বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু অপপ্রচারকারীরা জানেন না যে, অপপ্রচার চালিয়ে সিলেটবাসীকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। কোনোভাবেই ঠেকানো যাবে না নৌকার বিজয়।
ড. মোমেন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের সুফল পাচ্ছেন সিলেটসহ পুরো দেশবাসী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। সরকারের প্রতিটি কাজ বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। তাই, দেশের সর্বস্তরের জনতা আওয়ামী লীগকেই দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রাখতে চান। এবারের নির্বাচনেও সিলেটবাসী নৌকার পক্ষে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন জানাচ্ছেন। তারা মূল্যবান ভোট দিয়ে স্বাধীনতা ও উন্নয়নের প্রতীক নৌকাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।

সকাল ৯টায় সিলেট নগরীর ১৭নং ওয়ার্ডের কাজীটুলা ও লোহারপাড়া এলাকায় গণসংযোগ, ১১টায় চৌহাট্টায় বুদ্ধিজীবী শহীদ মিনারে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, দুপুরে সদর উপজেলার খাদিমনগর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কান্দিরপথ জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় ও এলাকায় গণসংযোগ, বিকেল ৩টায় সাহেববাজারে খাদিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় যোগদান, বিকেল ৪টায় হাউজিং এস্টেট এলাকায় গণসংযোগ, সন্ধ্যা ৬টায় সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের মিরেরগাঁও, রাত ৮টায় সিলেট নগরীর ৮নং ওয়ার্ডের করেরপাড়া পয়েন্টে পৃথক নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ করেন ড. মোমেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আব্দুল হাই শিবলী, বিএমএ সিলেট’র সাবেক সভাপতি ডা. এ.কে.এম হাফিজ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার আলাউর, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, নাসির উদ্দিন খান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও এ.টি.এম হাসান জেবুল, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপক সুনীল কুমার দেব নীল, কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় নেতা শামীমা শাহরিয়ার, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট রনজিত সরকার, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলার জগদীশ দাশ, সিলেট জেলা পরিষদ সদস্য মো. শাহনুর, মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক জুবের খান, মুহাম্মদ আলী গোলাম, ডা. আরমান আহমদ শিপলু, মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি এম. শাহরিয়ার কবির সেলিম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট’র সাবেক কমান্ডার মীর্জা জামাল পাশা, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াস, মহানগর যুবলীগের সাবেক সহ সভাপতি সুদীপ দে, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা মাছুম বিল্লাহ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট নূরে আলম সিরাজী, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা প্রিন্স সদরুজ্জামান, আব্দুস সুবহান, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মফিজুর রহমান বাদশা, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, মোগলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হিরণ মিয়া, ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাশেদ আহমদ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মতিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালিক রাজা, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আজিজুল হক মতিন, সাধারণ সম্পাদক আকরার বখত মজুমদার, শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজি সিদ্দেক আলী, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নজু, সমাজসেবী হাজি আব্দুল হাফিজ, সংস্কৃতি কর্মী রজত কান্তি গুপ্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আফতাব উদ্দিন, এ.এইচ.এ মালিক ইমন, হাজি ফজলুর রহমান, এস.এম শায়েস্তা তালুকদার, খাদিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. তেরা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালিক, খাদিমনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম টুনু, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা জাবেদ সিরাজ, কান্দিগাও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আজম আলী, সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদ আলী, সাবেক ইউপি সদস্য, আওয়ামী লীগ নেতা বুলবুল আহমদ, আব্দুল করিম পাখি মিয়া, এনামুল হক লিলু, করিম উল্লাহ হেলাল, জালাল উদ্দিন, মহানগর যুবলীগ নেতা সাহেদ আহমদ, সুজেল আহমদ, মেহেদী কাবুল, শামসুল ইসলাম মিলন, উপজেলা যুবলীগ নেতা ইকলাল হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম তুষার, ইউপি সদস্য আনছার মিয়া, বশির আহমদ, ডা. জালাল আহমদ, তারা মিয়া প্রমুখ।

শেয়ার করুন