২০ আগস্ট ২০১৭


জগন্নাথপুরে বেড়িবাঁধ সড়ক সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তিতে ১০ গ্রামবাসী

শেয়ার করুন

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী রানীগঞ্জ কলেজ-বাগময়না ভায়া হলিকোনা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাওর রক্ষা বেড়িবাঁধ সড়ক সংস্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ১০ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। হেমন্ত মৌসুমে বিভিন্নভাবে লোকজন যাতায়াত করলেও বর্ষা মৌসুমে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটির নাজুক পরিস্থিতির কারনে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জনসাধারণ পায়ে হেঁটে যাতায়াত করেন।

একদিকে, কুশিয়ারা নদীর কড়াল গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের অসংখ্য সড়কপথ। নদী ভাঙনের ফলে জনসাধারণের যাতায়াতের জন্য সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তি উদ্যোগে যাতায়াতের সড়ক নির্মাণ করা হলেও ইতোমধ্যে এসব সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য তেরা মিয়া জানান, ভাটির জনপদ খ্যাত রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী মূল সড়কপথ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দেড় কিলোমিটার সড়কে মাটি ভরাটের কাজ হয়েছে। তবে এসব স্থানে পাকা সড়ক না হওয়ায় কাদাযুক্ত সড়ক দিয়ে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাগময়না, হলিকোনা, স্বজনশ্রী, বাউধরন, গোপড়াপুরসহ প্রায় ১০টি গ্রামের জনসাধারণ রানীগঞ্জ বাজারে যাতায়াত করেন।

তিনি আরো জানান, হাওরের ফসল রক্ষার একমাত্র বেড়িবাঁধ সড়কটি ৫ থেকে ৬ ফিট উঁচু করে মাটি ভরাটসহ পাকা করা হলে রানীগঞ্জ বাজার থেকে দিরাই উপজেলা পর্যন্ত ছোট যানবাহন কিংবা পায়ে হেঁটে লোকজন যাতায়াতের পথ সুগম হবে। বর্তমানে বেড়িবাঁধ সড়ক দিয়ে ট্রলি দিয়ে মালামাল বহন করার কারণে মাটির সড়কটির ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

রানীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার রানীগঞ্জ কলেজ-বাগময়না-হলিকোনা বেড়িবাঁধ সড়কের করুণ অবস্থার বর্ণনা দিয়ে জানান, রানীগঞ্জ বাজার, রানীগঞ্জ কলেজ, হাজি মকবুল হোসেন একাডেমিসহ মাদ্রাসা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি কাদায় পরিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জনসাধারন কাদা মাটি দিয়ে অতি কষ্টে যাতায়াত করে আসছেন।

 

(আজকের সিলেট/২০ আগষ্ট/ডি/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন