২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮


যোগাযোগ ঝুঁকিতে এমসির শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কলেজ যেতে হয় সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের শিক্ষার্থীদের। শিক্ষাঙ্গনে যেতে শিক্ষার্থীরা আবার জীবন ঝুঁকি কেন নেবে? আশ্চর্যজনক হলেও এটাই বাস্তব।

১২৩ একরের সবুজঘেরা ক্যাম্পাস তার’ই পাশ দিয়ে চলে গেছে ঐতিহাসিক তামাবিল রোড। প্রতিদিন হাজারও যানবাহন চলাচলকারী সিলেটের ব্যস্ততম সড়ক বলে বিবেচিত তামাবিল সড়কের রয়েছে মারাত্মক ঝুকিঁপুর্ণ কিছু জায়গা। লাগামহীন ভাবে গাড়ি চালানোর কারণে যেগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় দুর্ঘটনার নির্মম কিছু করুণ দৃশ্য।

মানুষের কান্নার আওয়াজে ভারী হওয়া তেমনি একটি ঝুঁকিপুর্ণ স্থান এমসি কলেজের মুল ফটকের সামনে দিয়ে চলে যাওয়া কালো রঙ্গের জায়গাটি। কোন ধরনের গতিরোধক সিস্টেম চালু না থাকার কারণে স্থানটি দিয়ে লাগামহীন ভাবে গাড়িগুলো চলাচল করে। আর বিকল্প কোন পথ না থাকার কারনে এই দ্রুতবেগে চলা গাড়িগুলোর কোন এক ফাঁক দিয়েই রাস্তাটি পার হয়ে কলেজ যেতে হয় প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থীদের। অনেক আগে নাম মাত্র একটি স্পীডব্রেকার দেওয়া হলেও সংস্কারের অভাবে এটি এখন বিলুপ্ত প্রায়। যেকারণে দু, তিন, আর চার চাকার গাড়িগুলো লাগাহীনভাবেই নিয়মিত চলাচল করছে। আর চালকের অসাবধানতার কারণে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে স্বপ্ন পূরণের জন্যে কলেজ আসা এক একটা এমসি শিক্ষার্থীরা।

কলেজ যেতে রাস্তা পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পরে এ পর্যন্ত কি পরিমাম এমসি শিক্ষার্থী যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার সঠিক হিসেব কি কারো জানার প্রয়োজন আছে? কারও হাত-পা,কারও আবার সমস্ত দেহটাই আক্রান্ত হওয়ার অনাকাঙ্ক্ষিত এই অভিশপ্ত দুর্ঘটনার মিছিল যেন থামছেই না। ঝুঁকিপূর্ণ এই জায়গাটির মাঝে প্রতিনিয়ই ঘটছে নির্মম আর ভয়াবহ সব দুর্ঘটনা। জায়গাটি এতই ঝুঁকিপূর্ণ যে কোন মুহুর্তে গাড়ির চাকায় নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে আগামীর সম্ভাবনাময় গোছালো একটি জীবন প্রদীপ।

যেকারণে মুরারিচাঁদের মুল ফটকের সামনে দিয়া চলা তামাবিল সড়কের ঐ জায়গাটি এখন এমসি শিক্ষার্থীদের কাছে মরন ফাঁদ বলে পরিচিত। তাদের কাছে জাগয়াটি এখন এক আতঙ্কের নাম। তারপরও শিক্ষাঙ্গনে যেতে এই স্থানটিই যে তাদের ব্যবহার করতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এই স্থানটি নিয়ে বিগত সময়ে অনেক নিউজ করা হলেও আদৌ এর সমাধানের কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

গত কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এমসি কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দরা ঝুঁকিপূর্ণ এই জায়গাটিতে স্পীডব্রেকার তৈরিসহ পাঁচদফা দাবি উপস্থাপন করার পর দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন এমসি অধ্যক্ষ প্রফেসর নিতাই চন্দ চন্দ্র। কিন্তু অধ্যক্ষের আশ্বাসের মাস পের হলেও এখনও স্পীডব্রেকার নির্মাণ করা হয়নি। যা কেবলই হতাশার।

বিষয়টি সম্পর্কে অধ্যক্ষ নিতাই চন্দ চন্দ্রের কাছে জানতে হলে, তিনি বলেন, রাস্তায় স্পীডব্রেকার নির্মাণ করা সড়ক বিভাগের কাজ।

কলেজ প্রশাসন কি এটি করতে পারে না? এমন প্রশ্নে এমসি অধ্যক্ষ বলেন, না কলেজ প্রশাসন এগুলো করতে পারবে না, এটা একান্তই তাদের কাজ, তবে বিষয়টা নিয়ে এমসি প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করছে।

কবে নাগাদ কাজ শুরু হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা বার বার কথা বলতেছি, আশা করছি শীগ্রই কাজটি শুরু হবে।

বিষয়টা নিয়ে কিছু এমসি শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, অনেকদিন ধরে কেবল শোনেই আসতেছি ঝুঁকিপূর্ণ এই জায়গাটিতে স্পীডব্রেকার তৈরি করা হবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত ও কাজ শুরু করা যাচ্ছে না, কবে নাগাদ হবে তারও ঠিক নেই।

এসময় তারা বিপুল সংখ্যক এমসি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে কলেজ ফটকের সামনে স্থায়ী স্পীডব্রেকার তৈরি করার জন্যে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আজকেরসিলেটডটকম/২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮/এএ/এসডিবেমেভয়ের আতঙ্কে
এমসি কলেজ প্রতিনিধি :: জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কলেজ যেতে হয় সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের শিক্ষার্থীদের। শিক্ষাঙ্গনে যেতে শিক্ষার্থীরা আবার জীবন ঝুঁকি কেন নেবে? আশ্চর্যজনক হলেও এটাই বাস্তব।

১২৩ একরের সবুজঘেরা ক্যাম্পাস তার’ই পাশ দিয়ে চলে গেছে ঐতিহাসিক তামাবিল রোড। প্রতিদিন হাজারও যানবাহন চলাচলকারী সিলেটের ব্যস্ততম সড়ক বলে বিবেচিত তামাবিল সড়কের রয়েছে মারাত্মক ঝুকিঁপুর্ণ কিছু জায়গা। লাগামহীন ভাবে গাড়ি চালানোর কারণে যেগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় দুর্ঘটনার নির্মম কিছু করুণ দৃশ্য।

মানুষের কান্নার আওয়াজে ভারী হওয়া তেমনি একটি ঝুঁকিপুর্ণ স্থান এমসি কলেজের মুল ফটকের সামনে দিয়ে চলে যাওয়া কালো রঙ্গের জায়গাটি। কোন ধরনের গতিরোধক সিস্টেম চালু না থাকার কারণে স্থানটি দিয়ে লাগামহীন ভাবে গাড়িগুলো চলাচল করে। আর বিকল্প কোন পথ না থাকার কারনে এই দ্রুতবেগে চলা গাড়িগুলোর কোন এক ফাঁক দিয়েই রাস্তাটি পার হয়ে কলেজ যেতে হয় প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থীদের। অনেক আগে নাম মাত্র একটি স্পীডব্রেকার দেওয়া হলেও সংস্কারের অভাবে এটি এখন বিলুপ্ত প্রায়। যেকারণে দু, তিন, আর চার চাকার গাড়িগুলো লাগাহীনভাবেই নিয়মিত চলাচল করছে। আর চালকের অসাবধানতার কারণে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে স্বপ্ন পূরণের জন্যে কলেজ আসা এক একটা এমসি শিক্ষার্থীরা।

কলেজ যেতে রাস্তা পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পরে এ পর্যন্ত কি পরিমাম এমসি শিক্ষার্থী যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার সঠিক হিসেব কি কারো জানার প্রয়োজন আছে? কারও হাত-পা,কারও আবার সমস্ত দেহটাই আক্রান্ত হওয়ার অনাকাঙ্ক্ষিত এই অভিশপ্ত দুর্ঘটনার মিছিল যেন থামছেই না। ঝুঁকিপূর্ণ এই জায়গাটির মাঝে প্রতিনিয়ই ঘটছে নির্মম আর ভয়াবহ সব দুর্ঘটনা। জায়গাটি এতই ঝুঁকিপূর্ণ যে কোন মুহুর্তে গাড়ির চাকায় নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে আগামীর সম্ভাবনাময় গোছালো একটি জীবন প্রদীপ।

যেকারণে মুরারিচাঁদের মুল ফটকের সামনে দিয়া চলা তামাবিল সড়কের ঐ জায়গাটি এখন এমসি শিক্ষার্থীদের কাছে মরন ফাঁদ বলে পরিচিত। তাদের কাছে জাগয়াটি এখন এক আতঙ্কের নাম। তারপরও শিক্ষাঙ্গনে যেতে এই স্থানটিই যে তাদের ব্যবহার করতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এই স্থানটি নিয়ে বিগত সময়ে অনেক নিউজ করা হলেও আদৌ এর সমাধানের কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

গত কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এমসি কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দরা ঝুঁকিপূর্ণ এই জায়গাটিতে স্পীডব্রেকার তৈরিসহ পাঁচদফা দাবি উপস্থাপন করার পর দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন এমসি অধ্যক্ষ প্রফেসর নিতাই চন্দ চন্দ্র। কিন্তু অধ্যক্ষের আশ্বাসের মাস পের হলেও এখনও স্পীডব্রেকার নির্মাণ করা হয়নি। যা কেবলই হতাশার।

বিষয়টি সম্পর্কে অধ্যক্ষ নিতাই চন্দ চন্দ্রের কাছে জানতে হলে, তিনি বলেন, রাস্তায় স্পীডব্রেকার নির্মাণ করা সড়ক বিভাগের কাজ।

কলেজ প্রশাসন কি এটি করতে পারে না? এমন প্রশ্নে এমসি অধ্যক্ষ বলেন, না কলেজ প্রশাসন এগুলো করতে পারবে না, এটা একান্তই তাদের কাজ, তবে বিষয়টা নিয়ে এমসি প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করছে।

কবে নাগাদ কাজ শুরু হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা বার বার কথা বলতেছি, আশা করছি শীগ্রই কাজটি শুরু হবে।

বিষয়টা নিয়ে কিছু এমসি শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, অনেকদিন ধরে কেবল শোনেই আসতেছি ঝুঁকিপূর্ণ এই জায়গাটিতে স্পীডব্রেকার তৈরি করা হবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত ও কাজ শুরু করা যাচ্ছে না, কবে নাগাদ হবে তারও ঠিক নেই।

এসময় তারা বিপুল সংখ্যক এমসি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে কলেজ ফটকের সামনে স্থায়ী স্পীডব্রেকার তৈরি করার জন্যে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

শেয়ার করুন