২৫ জুলাই ২০১৮


আরিফের প্রচারণায় জাসাসের প্রতিনিধি দল

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : বিএনপি মনোনীত ও ২০ দলীয় জোট সমর্থিত মেয়রপ্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী টিলাগড় রাজপাড়ায় এবং গোপালটিলায় গণসংযোগে অংশ নেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। ধানের শীষের সমর্থনে মাঠে নামেন বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গাজাী মাজহারুল আনোয়ার, জাসাস-এর সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক হেলাল খান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রোকন, সহ সভাপতি চিত্রনায়িকা শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা, চিত্রনায়িকা শাহিনূর, শেখ রুনা, মহানগর জাসাস-এর সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন মাসুম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ হারুন, এ এস এম আব্দুল্লাহ আরিফ, জহির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান এইচ খান, জেলা সেক্রেটারী জয়নাল আহমদ রানু প্রমুখ।

গণসংযোগে অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিলেট মহানগর-এর সেক্রেটারী আবু বকর সিদ্দিক সরকার, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাসুর রহমান মুন্না, জেলা ছাত্র জমিয়তের আহবায়ক কায়সান মাহমুদ আকবরী, যুব জমিয়ত নেতা মুশতাক ফুরকানী, সদর জমিয়ত সেক্রেটারী মাওলানা হেলাল আহমদ প্রমুখ। এছাড়া গণসংযোগকালে বিএনপি, ২০ দলীয় জোট এবং তাদের অঙ্গ সংগটনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল পরিমাণ সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে, বুধবার সকাল থেকে শুরু করে নগরীর আরামবাগস্থ আমান উল্লাহ কনভেনশন সেন্টার হয়ে খরাদি পাড়া, মণিপুরী পাড়া, শিবগঞ্জস্থ লামাপাড়া, গোলাপবাগ, সবুজবাগ, টিলাগড়স্থ শাপলাবাগ, রাজপাড়া, বোরহান উদ্দিন রোর্ড এবং গোপাল টিলায় গণসংযোগ করেন আরিফুল হক চৌধুরী।

গণসংযোগে অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মহানগর সভাপতি মাওলানা খলিরুর রহমান, সহ সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মহানগর খেলাফত মজলিশের সহ সভাপতি আব্দুল হান্নান তাপাদার, সিলেট মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মুফতি নেহাল উদ্দিন, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আমিরুজ্জামান চৌধুরী।

আরিফুল হক বলেন, নগরীর উন্নয়নের জন্যই মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলাম। কিন্তু পাঁচটি বছরের তিনটি বছরই আমার থেকে কেড়ে নেওয়া হল। যার কারণে নগরীর সার্বিক উন্নয়ন পুরোপুরি নিশ্চিৎ করা যায় নি। তবুও যেটুকু সময় পেয়েছি নগরীর উন্নয়ন করেছি। আমি আমার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছি, প্রবল ইচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে ১৭ বছর নয়, দুই বছরেও মানুষের সেবায় পরিপূর্ণ নিয়োজিত রাখা সম্ভব।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন বলেন, আরিফুল হক চৌধুরী নগরবাসীর উন্নয়নে যা করেছেন, তিনি যদি তাঁর দায়িত্বকালের পাঁচটি বছর পেতেন তবে সিলেট নগরীর চেহারা একেবারে পাল্টে দিতেন। অল্প সময়ে এমন উন্নয়ন দেশের ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তাঁর কাজের মাধ্যমে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। তাঁেক আপনারা আবার নির্বাচিত করে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দিবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা। ইতিমধ্যে তাঁর প্রতি আপনাদের ভালোবাসা আমাকে সেই বিশ্বাস দিয়েছে।

(আজকের সিলেট/২৫ জুলাই/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন