৬ জুন ২০১৮


মৌলভীবাজারে ঘুমিয়ে সময় কাটছে পোশাক কারিগরদের

শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : প্রতিবারেই ঈদে ব্যস্ত সময় পার করেন মৌলভীবাজারের পোশাক কারিগররা। এসময় রাতভর জেগে থেকে নিত্য নতুন ডিজাইনের পোশাক তৈরি করেন তারা। এবার তাদের আর আগের মত ব্যস্ততা নেই। আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাশূন্য দর্জির দোকানগুলো। এতে ঘুমিয়ে অলস সময় পার করছেন পোশাক কারিগররা। ঈদের আর মাত্র গোটা দশেক দিন বাকী থাকলেও কাজ নেই তাদের হাতে।

সরেজমিনে এর সত্যতাও মিলেছে। শহরে পোশাক তৈরির একটি কারখানার কারিগররা দিনেই ঘুমিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। দোকান মালিকরা বলছেন, যেখানে ঈদ ঘিরেই তাদের ব্যস্ততা সবচেয়ে বেশি থাকে, সেখানে এবারের এই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তবে ক্রেতাদের ভাষ্য, এই সময়ে দর্জিবাড়িগুলো বাড়তি টাকা আদায় করে। তাছাড়া অতিরিক্ত চাপের কারণে কাজও করে কোনো রকমে। অনেকে আবার ঝামেলা আর বাড়তি খরচ এড়াতে রোজা শুরুর আগেই কাপড় বানিয়ে ফেলেছেন।

মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কের শাপলা ম্যানশন প্রাইম টেইলাসের মালিক রাফাত চৌধুরী বলেন, অন্যবার এমন সময় কাজের চাপে নি:শ্বাস ফেলারও সময় থাকেনা তাদের। কিন্তু অন্য ঈদের তুলনায় এবার অর্ডার খুবই কম। আমাদের নিজস্ব কিছু কাস্টমার থাকায় আমাদের দোকানে ভিড় রয়েছে। শহরের চৌমুহনা এলাকার এক দর্জির দোকান মালিক জানান, রেগুলার কিছু কাস্টমারের অর্ডার পেয়েছেন তিনি। প্রতিবার নতুন নতুন কাস্টমাররা কাপড় বানাতে আসেন। তবে এবারে সংখ্যাটা খুবই কম। অনেকেই এখন টেইলারের মাধ্যমে পোশাক না বানিয়ে তৈরি পোশাক কিনছেন।

মাকেটে আসা রেবায়ে আক্তার নামে এক মহিলা বলেন, মানুষের হাতে তো টাকা নেই। যা আছে তা দিয়ে খাবে নাকি কাপড় বানাবে। ঝামেলা এড়াতে অনেকে গার্মেন্ট পোশাক কিনছেন বলে মত দিয়েছেন তিনি।

শহরের লেইক রোডের দর্জির দোকানদার তিনি বলেন, অন্যবার ১০ রোজার পর অর্ডার নিতে পারি না কাজের চাপে। এবার যে কী হলো ২০ রোজা এলেও অর্ডার আসছে না।

 

(আজকের সিলেট/৬ জুন/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন