২৭ মে ২০১৮


অস্থিত্ব সংকটে ফেছী বাজার

শেয়ার করুন

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের বৃহত্তর ঐহিত্যবাহী জনবহুল বড় ফেছি বাজার প্রবাহমান করাল গ্রাসী কুশিয়ারা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে ক্রমান্বয় বিলীন হয়ে যাচ্ছে। হযরত শাহ ফছিহ (র:) নামে বাজারটির নাম করন করা হয়।

আশারকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রান্তের বড় ফেছি, কালাইনজুড়া, নোয়াগাঁও (আটঘর), মিলিক, উত্তর কালনিরচঁর, পাইলগাঁও ইউনিয়নের নতুন কসবা ও পূর্ব কাতিয়া গ্রাম সহ নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের মাধবপুর, গালিমপুর, দীঘলবাক গ্রামের জনসাধারণ অর্ধশতাদিক ধরে বড়ফেছি বাজারে দৈনন্দিন কেনাকাটা করে আসছেন।

জানা যায়, ২০০৫ সাল থেকে কুশিয়ারা নদীর আগ্রাসী ভাঙ্গনে বাজারটির প্রধান গলি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়।দালানকোঠা সহ বহু দোকান ঘর বিলিন হওয়ায় অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়। অনেক বড় বড় ব্যবসায়ী অনেক আগেই এ বাজারটি থেকে ব্যবসা গুঠিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

আমরা এলাকাবাসী ঐতিহ্যর বাজারটি টিকিয়ে রাখতে ভাঙ্গন কবলিত বাজার থেকে দুইশত ফুট দূরে বিকল্প বাজার প্রতিষ্ঠা করি। শেষপর্যন্ত বাজারের বাকি অংশটুকুও বর্তমানে বিলিন হতে চলছে।

বড় ফেছির বাজারের ব্যবসায়ী মো.মাসুদ আহমদ বলেন, আপসোস ভাই। বর্তমান সরকারের তিনজন মন্ত্রী হেলিকপ্টার করে আমাদের বাজার পরিদর্শন করে যান ঘোষনা দেন কাজের কিন্তু আজ তো পুরো বাজার বিলিন হয়ে গেল। কাজ তো দুরের কথা সান্তনা দেওয়ার মত মানুষ খুঁজে পাচ্ছিনা। আর কত দিন এভাবে চলবো আমরা জরুরী ভিত্তিতে বাজার রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাই।

কুশিয়ারা নদীর চলমান ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে জনবহুল বড় ফেছি বাজারের মানচিত্র একেবারেই মুছে যাওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।চরম দুর্ভোগে পড়ার আশংকা রয়েছে আশে পাশে বাজারে আসা এলাকাবাসী।

প্রতিদিনই নতুন ভাঙ্গনের ভয়াবহ দৃশ্য দেখে হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন বাজারবাসী।অবিলম্বে ভাঙ্গন প্রতিরোধে প্রদক্ষেপ গ্রহনের জন্য স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি সহ সংশিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করেন বাজারবাসী।

(আজকের সিলেট/২৭ মে/ডি/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন