২২ ডিসেম্বর ২০২৩
গোলাপগঞ্জ সংবাদদাতা: সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করতে এসে তাকে বাড়িতে না পেয়ে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি তুলে নিয়ে গেছে থানা পুলিশ।
গত রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) উপজেলার মাইজভাগ গ্রাম থেকে মোটরসাইকেলটি তুলে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় মোটরসাইকেলটিতে ভাংচুর চালানো হয়েছে মর্মে অভিযোগ করে তার পরিবার।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রবিবার সিলেট জেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহ সাধারণ সম্পাদক ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুনকে গ্রেফতার করতে মাইজভাগ গ্রামস্ত তার বাড়িতে যায় গোলাপগঞ্জ থানার একদল পুলিশ। এসময় তাকে না পেয়ে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি (সিলেট-হ-১১-৯১৫৬) থানায় নিয়ে যায় তারা।
এদিকে, মামুনকে ঘরে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছে পুলিশ। এমন অভিযোগ করে তার পরিবার জানায়, ‘রবিবার সন্ধ্যায় আমাদের পাশের বাড়িতে একটি বিচার বৈঠক চলছিল। ওই সময় একদল পুলিশ মামুনকে খুঁজতে বাড়িতে আসে। তাকে বাড়িতে না পেয়ে বৈঠকস্থলেও যায় পুলিশ। সেখানেও তাকে পায়নি। পরে তারা বাড়িতে থাকা তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ভাংচুর করে থানায় নিয়ে যায়। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে পুলিশ।’
জানতে চাইলে গোলাপগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার জানান, ‘থানা এলাকার ফুলবাড়ি ইউপির কায়স্তগ্রামস্থ সাহারা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে গত ১৩ ডিসেম্বর সজিব করপোরেশনের একটি কাভার্ডভ্যানে (ঢাকা মেট্রো-অ-১৪-১০৮০) আগুন দেয় বিএনপি-জামায়াত কর্মীরা। এ ঘটনায় করপোরেশনের লালাবাজারস্থ ডিপো ম্যানেজার মহী উদ্দিন বাদী হয়ে পরদিন গোলাপগঞ্জ থানায় একটি মামলা (০৬/২৩) দায়ের করেন। ওই মামলায় ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। তাছাড়া, গত রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) মাইজভাগে বিএনপি নেতা মামুনের বাড়িতে একটি গোপন বৈঠক বসেছে মর্মে খবর পাই। সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে মামুনকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।’
এসময় মামুনের পরিবারের সদস্যদের সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।