১৭ এপ্রিল ২০১৮
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরে অবাধে চলছে অবৈধ মাছ শিকার। ফলে সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযানে নামলেও আগাম খবর পৌঁছে যায় মাছ শিকারীদের কাছে। ফলে পুলিশি অভিযানেও কোনো ফলাফল আসছে না।
উপজেলার পাঁচগাও ইউনিয়নের হাওর কাউয়াদীঘি অংশের শাল কাটুয়া, মাঝের বান্দ এ দু’টি জলমহালে পাচঁগাও ইউনিয়নের একটি প্রভাবশালী মহল নামসর্বস্ব একাধিক মৎসজীবি সমবায় সমিতি গঠন করে একটি সমিতি অন্য সমিতির উপর বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করে।
সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবাধে মাছ শিকার করার জন্য অভ্যন্তরীণভাবে সমঝোতা করে তারা এ অপকর্ম চালায়। আর এই ফাঁকে সারা বছরই তারা অবৈধভাবে মাছ শিকার করে। মামলা নিরসন না হওয়ায় সরকার কোটি টাকার রজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হন। সম্প্রতি শাল কাটুয়া ও মাঝের বান্দ জলমহালে ব্যাপক হারে একটি মহল অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছে।
এ ব্যাপারে পাঁচগাও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামছুন নুর আজাদ বিবার্তাকে জানান, বিলে জমির মালিকরা হয়তো মাছ ধরতে পারে।
রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রাখী আহমেদ জানান, বিষয়টি জানার পর রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছি।
রাজনগর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা ফনিভুষন দেব জানান, শাল কাটুয়া ও মাঝের বান্দ জলমহাল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এনে ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি তদন্তের অধীনে রয়েছে।
রাজনগর থানার ওসি শ্যামল বনিক জানান, বিভিন্ন সময় অভিযোগের প্রেক্ষিতে কাউয়াদিঘি হাওরের শালকাটুয়া ও মাঝের বান্দ বিলে পুলিশ অভিযানে নামে। তবে আগাম খবর মাছ শিকারীদের কাছে পৌঁছে যায় ও হাওরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানে অবৈধ দখলদারসহ কাউকে পাওয়া যায়না।
(আজকের সিলেট/১৭ এপ্রিল/ডি/কেআর/ঘ.)