১৩ নভেম্বর ২০২৩
জকিগঞ্জ বাজারের সুপারি হাটে ক্রেতার অপেক্ষায় কৃষকরা। ছবি: সংগৃহীত
জকিগঞ্জ প্রতিনিধি : অর্থকরী ফসল হিসেবে এখনো জকিগঞ্জের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে সুপারি। অন্যান্য বছরের মতো এবারও অঞ্চলটিতে সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে। পুরোদমে জমে উঠেছে উপজেলার সবক’টি সুপারির হাট। গত বছরেরচেয়ে এবার ফলন বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। তবে বাজারে দাম কম হওয়ায় অনেকটাই হতাশ তারা।
জকিগঞ্জের প্রায় প্রতিটি বাজারেই সুপারির বেচাকেনা চলে। সপ্তাহে রবি ও বৃহস্পতিবার জকিগঞ্জ বাজার, সোম ও শুক্রবার বাবুর বাজার, রবি ও বৃহস্পতিবার শরীফগঞ্জ বাজার, শনি ও বুধবার কালীগঞ্জ বাজার এবং রবি ও বৃহস্পতিবার শাহগলী বাজারে সুপারির বড় হাট বসছে। এসব হাট থেকে স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ী এবং ফড়িয়ারা সুপারি নিয়ে যাচ্ছেন।
সুপারির পাইকারি বিক্রেতা আবুল হোসেন ও ছমির উদ্দিন জানান, জকিগঞ্জ উপজেলায় উৎপাদিত সুপারির মান ভাল হওয়ায় এর চাহিদাও বেশি। মৌসুমে প্রতিটি হাটবারে অন্তত ৬০০-৭০০ বস্তা সুপারি বেচাকেনা হচ্ছে।
আরও পড়ুন : ভয়াবহ সঙ্কটের মুখে সিলেটের অর্থনীতি
মাইজকান্দি গ্রামের ফখরুল ইসলাম জানান, এবার সুপারির ফলন ভালো হয়েছে। তবে দাম বেশ কম। গত বছর প্রতি ভি (৪৪০ সুপারিতে এক ভি) সুপারি বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। এ বছর তা ৬০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় বাগান মালিকরা এ ক্ষেত্রে সুপারি ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন।
আরও পড়ুন : কমলগঞ্জে অনুমতি না নিয়ে বিদেশ চলে যাওয়ার অভিযোগ সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে
জকিগঞ্জ বাজার ইজারাদার নজরুল ইসলাম ও জাফরুল ইসলাম জানান, জকিগঞ্জ বাজারের ২৫ লাখ টাকা ইজারার অধিকাংশ আয় হয় সুপারির বাজার থেকে। প্রতি হাটবারে জকিগঞ্জ বাজারে প্রায় ৪ হাজার ভি সুপারি কেনাবেচা হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা।
এএস // আতারা