১৩ নভেম্বর ২০২৩
হবিগঞ্জে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে জনভোগান্তি। ছবি : সংগৃহীত
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জে জনভোগান্তির বিরক্তিকর নাম ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।একটি নাম্বার দিয়ে একাধিক অটোরিকশা চলার কারণে দিনভর শহরজুড়ে যানজট লেগে থাকে। এতে রীতিমতো বিষিয়ে উঠছে সাধারণ মানুষের জীবন।
আরও পড়ুন-ভয়াবহ সঙ্কটের মুখে সিলেটের অর্থনীতি
বিশেষ করে শহরের বেবিস্ট্যান্ড মোড়,থানা মোড়, চৌধুরীবাজার পয়েন্ট, শংকরের মুখ, কালিবাড়ী মুখ, সবুজবাগে সারাক্ষণই লেগে থাকছে যানজট। এ ছাড়া যত্রতত্র পার্কিং আর যাত্রীদের সঙ্গে অটোচালকদের অশোভন আচরণে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হবিগঞ্জ শহরে বর্তমানে নিবন্ধিত টমটম অটোরিকশার সংখ্যা ১৩০০। কিন্তু রাস্তায় চলছে কয়েকগুণ বেশি টমটম। পৌর কর্তৃপক্ষ ও আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টমটম মালিকরা একই নাম্বার প্লেট ব্যবহার করে টমটম নামাচ্ছেন রাস্তায়। এতে একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, অন্যদিকে শহরবাসীর জীবন হয়ে উঠছে দুর্বিষহ।
আরও পড়ুন-জাঁকিয়ে শীত নেমেছে সিলেটে : বিপাকে সীমান্তবর্তী মানুষ
অভিযোগ পেয়ে ইতোমধ্যে বেশ করেকটি টমটম অটোরিকশা আটক করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। পরে দেখা যায়, একটি নাম্বার প্লেট দিয়ে ৩-৪টি গাড়ি চলাচল করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গোপায়া ইউনিয়নের বহুলা গ্রামের এক ব্যক্তি পৌরসভা থেকে একটি টমটম রিকশার জন্য নাম্বার প্লেট সংগ্রহ করেন, যার নাম্বার ১০৯। পরে তিনি ১০৯ নাম্বার প্লেট হারিয়ে গেছে মর্মে জিডি করেন। একাধিকবার তিনি এই কাণ্ড ঘটান। এভাবে একটি নাম্বার তিনি ব্যবহার করছেন চারটি টমটম রিকশায়। হারানো জিডির কপি দিয়ে একাধিক টমটম রিকশা চলাচলের তথ্য পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন-সোমবার আনফরের ভাঙায় ব্রীজ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর : পূরণ হচ্ছে বহুদিনের স্বপ্ন
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, পৌর কর্তৃপক্ষ নতুন করে নাম্বার প্লেটের অনুমোদন না দেওয়ার কারণে মালিকরা এই পদ্ধতিতে একটি নাম্বার দিয়ে একাধিক অবৈধ টমটম রিকশা চালাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে পৌর মেয়র মো. আতাউর রহমান সেলিম জানান, একটি নাম্বার প্লেট দিয়ে একাধিক টমটম রিকশা চলাচলের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে অভিযান শুরু হবে। এসব অবৈধ যানবাহনের কারণে শহরে প্রায়ই যানজট লেগে থাকে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি টমটম রিকশা আটক করে ধ্বংস করা হয়েছে।
এএস // আতারা