১ নভেম্বর ২০২৩
আজকের সিলেট ডেস্ক: দেশব্যাপী বিএনপির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট জেলা ও মহানগর আ.লীগের উদ্যোগে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
বুধবার সকাল ১১টায় দক্ষিণ সুরমার ঐতিহাসিক হুমায়ূন রশীদ চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মহানগর আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন খান-এর সঞ্চালনায় শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ বক্তব্য পেশ করেন,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সাংসদ শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নাজনীন হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল আলম রুহেল, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আসমা কামরান, মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এড. মোহাম্মদ আব্বাছ উদ্দিন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আহমদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর তৌফিক বক্স লিপন, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিঠু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফছর আজিজ, জেলা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক মৃদুল কান্তি দাস, মহানগর কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. আব্দুর রকিব বাবলু, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, মহানগর তাঁতীলীগের সভাপতি নোমান আহমদ, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার, জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজন দেবনাথ, মহানগর মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, মহানগর তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত বুলবুল, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি কিশোয়ার জাহান সৌরভ, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমদ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ প্রমুখ ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণ আজ জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাই তারা বিএনপির ডাকা অবরোধ ও হরতাল ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছে। সারা দেশে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। জনগণ এখন আর অবরোধ ও হরতাল চায় না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তারা উন্নয়ন চায়। বিএনপি দেশের স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্টের লক্ষ্যে ষড়যন্ত্র ও গুজব ছড়াচ্ছে। বিএনপি জনগণের ভালো চায় না, তাই তারা অবরোধ ও হরতাল দেয়, বাসে অগ্নিসংযোগ করে, মানুষ পুড়িয়ে মারে, কর্তব্যরত নিরীহ পুলিশ সদস্যদেরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে, মহাসড়কে গাছ ফেলে চলাচলে বিগ্ন সৃষ্টি করে, হাসপাতাল ভাংচুর করে। এমনকি রোগীবহনকারী এম্বুলেন্সও তাদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আবারও প্রমাণ করেছে তারা সন্ত্রাসী দল। তারেক জিয়া লন্ডনে বসে হুকুম দেয় আর মির্জা ফখরুল গংরা সারাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। জনগণের জানমালের ক্ষতি করে।
আগামী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি সারাদেশব্যপী সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অগ্নিসন্ত্রাস অব্যাহত রেখেছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন,তারা নির্বাচন বানচাল করে ষড়যন্ত্র, গুজব, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অগ্নিসন্ত্রাস সৃষ্টি করে ক্ষমতায় আসতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ কখনো তা হতে দিবে না। জনগণ বিএনপির সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে প্রত্যাখান করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবারো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নিয়ে আসবে ইন শা আল্লাহ।

শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এড. মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, কোষাধ্যক্ষ শমসের জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট রনজিত সরকার, আইন সম্পাদক এড. আজমল আলী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মুস্তাক আহমদ পলাশ, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক বুরহান উদ্দিন আহমদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো.মজির উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আখলাকুর রহমান চৌধুরী সেলিম, শাহিদুর রহমান শাহিন, গোলাপ মিয়া, ডা.নাজরা আহমদ চৌধুরী, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, জেলা যুব লীগের সভাপতি শামীম আহমদ ভিপি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন আহমদ কয়েছ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম।

মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহসভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ, বিজিত চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নজমুল ইসলাম এহিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রহমান জামিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন লোকমান, শ্রম সম্পাদক আজিজুল হক মঞ্জু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত, উপ-দপ্তর সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি, সহপ্রচার সম্পাদক সোয়েব আহমদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য এড. মোহাম্মদ জাহিদ সারোয়ার সবুজ, এমরুল হাসান, সুদীপ দেব, সাব্বির খান, সৈয়দ কামাল, সাইফুল আলম স্বপন, ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, জামাল আহমদ চৌধুরী, খলিল আহমদ, আবুল মহসিন চৌধুরী মাসুদ, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান সুহেদ, জুমাদিন আহমেদ, উপদেষ্টা এনাম উদ্দিন, কানাই দত্ত, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি এম শাহরিয়ার কবির সেলিম, মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুফতি আব্দুল খাবির, আব্দুর রব হাজারী, সালউদ্দিন বক্স সালাই, ফখরুল হাসান, আনোয়ার হোসেন আনার, সাজোয়ান আহমদ, ফয়সল আক্তার ছোবহানী, আনসার আহমদ কয়েছ, আব্দুস সালাম সাহেদ, মো. ছয়েফ খাঁন, আনোয়ারুস সাদাত, সোয়েব বাসিত, জায়েদ আহমেদ খাঁন সায়েক, নজরুল ইসলাম নজু, মো. বদরুল ইসলাম বদরু, এড. বিজয় কুমার দেব বুলু, সফিকুল ইসলাম আলকাছ, মইনুল ইসলাম মঈন, ফজলে রাব্বি মাসুম, সেলিম আহমদ সেমিম, গুলজার আহমদ জগলু প্রমুখ।
এছাড়াও সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ উপস্থিত ছিলেন।
এএস // আতারা