৩১ অক্টোবর ২০২৩
ক্রীড়া ডেস্ক : সাত বছর পর কলকাতায় পাকিস্তান ক্রিকেট দল। ভারতের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ বন্ধ থাকায় আইসিসি ইভেন্টেই পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের দেখা মেলে ভারতে। তাদের ভক্ত-সমর্থক যে কম নেই সেটা বারবারই প্রমাণ মেলে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মুখোমুখিতে ইডেনে লাল-সবুজের চেয়ে চাঁদ-তারার সংখ্যাই বেশি ছিল। গ্যালারিতে ‘বাংলাদেশ-বাংলাদেশ’ স্লোগানের চেয়ে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বেশি শোনা গেছে।কিন্তু এবারের বিষয়টি এখনো আপেক্ষিক।
পাকিস্তান-বাংলাদেশ জয়ের খোঁজে ইডেনের ২২ গজে আজ দুপুর আড়াইটায় মাঠে নামবে উভয়দল। দুই দলের অবস্থাই এখন করুণ। বাংলাদেশ পাঁচ ম্যাচ হেরে পাকিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সপ্তম ম্যাচ খেলার অপেক্ষায়। পাকিস্তান চার ম্যাচ হেরে পা রেখেছে ইডেনে। দুই দলের অবস্থানই একই মেরুতে। তাই কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে, কার সম্ভাবনা বেশি, কার কম সেসব আলোচনাতেই আসছে না।
পাকিদের বিরুদ্ধে লড়াই নিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব বলেন, ‘আমরা জিততে চাই। একই চাওয়া নিশ্চয় পাকিস্তানেরও। সুতরাং যারা বেশি ভালো খেলবে তারা জিতবে। আমরা চেষ্টা করবো বেশি ভালো খেলে পাকিস্তানকে হারাতে। নিজেদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করবো ২ পয়েন্ট নিশ্চিত করতে।’
বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশ ভারতে এসেছিল। পাকিস্তান বিশ্বকাপের আগে ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে এক নম্বরে উঠায় তাদের ফেভারিট ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু এখন কেবল পাকিস্তানের সুযোগ আছে সেখানে পৌঁছানোর। সবকটি ম্যাচ জিতলে তাদের সুযোগ থাকবে সেরা চারে খেলার। আর বাংলাদেশ নতুন লক্ষ্য তৈরি করেছে।
২০২৫ চ্যাম্পিয়ন ট্রফি খেলতে হলে বাংলাদেশকে সেরা আটে থাকতে হবে। সাকিবরা সেই লক্ষ্যই স্থির করেছে, ‘চ্যাম্পিয়নস ট্রফি একটা লক্ষ্য। সঙ্গে কত উপরে শেষ (বিশ্বকাপ) করতে পারি সেটাও একটা লক্ষ্য। আমরা যেভাবে প্রত্যাশা করেছিলাম সেভাবে করতে পারিনি। এখান থেকেও যে কয়েকটি ম্যাচ আছে সেগুলো যদি ভালোভাবে করতে পারি এবং ফল আমাদের পক্ষে আসে তাহলেও আমরা স্বস্তি নিয়ে ফিরতে পারব।’
এএস // আতারা