১৪ আগস্ট ২০২৩


কুুলাউড়ায় জঙ্গি সন্দেহে আটক ১৭

শেয়ার করুন

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া : কুুলাউড়ার কর্মদায় গহীন জঙ্গলে জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সন্ধান পাওয়ার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে এলাকাবাসীর মধ্য। এ কারণেইনজরদারি বাড়িয়েছিল এলাকাবাসী। আর এই নজরদারির জালে আটকা পড়েছে জঙ্গি সন্দেহে  ১৭ জনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়নের সেই ইমাম মাহমুদের কাফেলা নামে জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেছিল তারা। তাদের মধ্যে সিরাজগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক সোহেল রানা তানজিমও রয়েছেন বলে জানাগেছে। এছাড়া আব্দুল আহাদ মেন্দি নামের একজন পঙ্গুও রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান- এ পঙ্গু ব্যক্তির নির্দেশনা অনুযায়ী জঙ্গি আস্তানার সবাই পরিচালিত হতো। মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এবার নতুন জঙ্গি সংগঠনের ইমাম মাহমুদে কাফেলার প্রধান মাহমুদ সন্দেহভাজন ১৭ জনের মধ্যে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে তাদেরকে পুলিশ পাহারায় আটক করে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের টিম এখন কর্মদা ইউনিয়নে অবস্থান করছে।

ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মশাহিদ আহমদ জানান- জঙ্গি আস্তানা কর্মদার জঙ্গলে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রশাসনের জালে পরিচিতি পাওয়ার পর গেল কদিন থেকে আমরা নজরদার রাখছিলাম। সরব ছিলাম এলাকার মানুষ তাই একজনতার কবলে পাকরা হলো জঙ্গিরা।

চেয়ারম্যান মুহিবুল ইসলাম আজাদ জানান- সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার ইউনিয়নের আছকরাবাদ সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকা থেকে জঙ্গিরা কুলাউড়ার দিকে পালিয়ে যেতে চেয়েছিল। এ সময় স্থানীয় সিএনজি ড্রাইভাররা তাদের সন্দেহ হলে এলাকাবাসীকে নিয়ে আটক করে। একই সঙ্গে এলাকায় টহলে থাকা পুলিশও ঘটনাস্থলে আসে। পরে কয়েকটি সিএনজি যোগে তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ জঙ্গি-দলের প্রধান মাহমুদও থাকতে পারে।

সিএনজিচালক রবিউল্লাহ বলেন, আটক অপরিচিত লোক তাদের একজনকে কাঁধে বহন করে নিয়ে গাড়িতে আসে। আমার গাড়িতে তিনজন ওঠে। তারা আমাদের জানায় বনভোজনে এসেছে। তারা বলেছে মৌলভীবাজার যাবে। তাদের বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞেস করে কথাবার্তা সন্দেহজনক হলে কৌশলে পরিষদে নিয়ে আসি।

সিএনজিচালক আবদুল কুদ্দুস বলেন, আমার গাড়িতে ছয়জন অপরিচিত লোক ওঠেন। এর মধ্যে একজন চিকিৎসক। আমিও তাদের নিয়ে পরিষদে আসি।

আরেক চালক জানান, আমার গাড়িতে ল্যাংড়া (পঙ্গু) একজন ব্যক্তি উঠেছিল তাদের সহযোগীদের নিয়ে। আমি তাদেরকে রবিরবাজার থেকে পরিষদের ভেতর নিয়ে আসি।

স্থানীয় নারী ইউপি সদস্য মাহমুদা জানান, এলাকার লোকজন বলাবলি করছে আটকের আরো জঙ্গিরা এলাকায় মনে থাকতে পারে। স্থানীয়দের ধারণা প্রায় ৪০জন জঙ্গি থানায় ছিল।

কুলাউড়া থানার ওসি মো. আব্দুস ছালেক গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। সিটিটিসির টিম এলে প্রেস ব্রিফিং করা হবে। তখন বিস্তারিত জানানো হবে।

শেয়ার করুন