৮ আগস্ট ২০২৩


মধ্যনগরে মনসা প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্থ মৃৎশিল্পীরা

শেয়ার করুন

অমৃত জ্যোতি,মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সদরের শ্রীশ্রী জগন্নাথ জিউর মন্দিরে মনসা পূজা সম্মুখে রেখে প্রতিমা তৈরীতে ব্যাস্থ সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা।হিন্দু ধর্মালম্বী সম্প্রদায়ের ভক্তরা সুপুত্র অর্জন ও সর্পের ভয় থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষে শ্রাবণ মাসের শেষ দিকে শ্রীশ্রী মনসা দেবীর পূজার্চনা করেন প্রতিবছরেই।

তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরেই এইমন্দির প্রঙ্গনে মনসা মায়ের প্রতিমা তৈরী করে থাকেন মৃৎশিল্পীগন।এবছর প্রায় দুইশতাধিক মনসা প্রতিমা তৈরীর প্রস্তুতি নিয়েছেন শিল্পীরা। মৃৎশিল্পীদের নিপুন হাতে মাটি সহ প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে বানিজ্যিক লাভের আশায় তৈরী করছেন প্রতিমা।একাধিক মৃতশিল্পীগন প্রতিমা তৈরীর কাজ প্রায় শেষ করার পথে বাকী রয়েছে শুধু অলংকার,বস্ত্র পরিধান ও চিত্রাঙ্কনের কাজ।

প্রতিমা শিল্পী কংকন সেন, জয়কুমার পাল, জয়দেব পাল ও জয়ন্ত পালের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবছর মনসা প্রতিমার চাহিদা রয়েছে বেশ। তবে উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি থাকায় কিছুটা বেশী দামে বিক্রি করতে হবে। তবে অনান্য বছরের তুলনায় ততোটা বেশী নয়। সর্বনিম্ন এক হাজার থেকে সর্ব্বোচ্চ পাঁচহাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন সাইজের মনসা প্রতিমা পাওয়া যাবে যা, বিগত বছরেও পাওয়া গিয়েছিল।

মনসা দেবী হলেন পৌরাণিক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একজন দেবী। দেবীভাগবত পুরাণ সহ পদ্ম পুরাণে দেবী মনসার কথা উল্লেখ রয়েছে। তিনি নাগদেবী।  প্রধানত যেকোনো বিষধর প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা ও বিষের প্রতিকার পাওয়া, সু-পুত্র প্রজনন ও ঐশ্বর্যলাভের উদ্দেশ্যে তাঁর পূজা করা হয়।মনসা সর্পরাজ বাসুকীর ভগিনী এবং ঋষি জরৎকারু মুনির স্ত্রী। আস্ত্বিক মুনীর মাতা। তাঁর অপর নামগুলি হল বিষহরি বা বিষহরা বিষ ধ্বংসকারিণী,নিত্যা চিরন্তনী ও পদ্মাবতী দেবী হিসেবে পরিচিত।

শেয়ার করুন