২১ এপ্রিল ২০২৩


আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইসলামী ১৪৪৪ হজিরী সনের ৯ ম মাস রামাজানের আজ ২৯ তম দিন শুক্রবার। সন্ধ্যায় দেশের পশ্চিমাকাশে একখানা বাঁকা হেলাল (চাঁদ) দেখা দিলে কাল শনিবার ঈদ। আনন্দঘন ঈদুল ফিতরের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। ঈদরে ছুটি নিয়ে সবাই নিজ নিজ নীড়ে গিয়ে অপেক্ষায় শাওয়ালের একখানা নতুন চাঁদ-এর।

সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে সভা করবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
আজশুক্রবার দিন শেষে পশ্চিমাকাশে আকাশে চাঁদ দেখা গেলেই  শনিবার (১ শাওয়াল) সারা দেশে ঈদ উদযাপিত হবে। চাঁদ দেখা না গেলে শনিবার রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে রোববার হবে ১ শাওয়াল ও ঈদ মোবারক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠেয় সভায় সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ও ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান এম.পি।

সভায় ১৪৪৪ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে ঈদুল ফিতর উদযাপনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এ ছাড়া জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, দেশের বিরোধী দল বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা পৃথক বাণীতে দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাণীতে তারা মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্ববাসীর কল্যাণ কামনা করেছেন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোতে বৃহস্পতিবার মাহে শাওয়ালের মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এ কারণে মদ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ,আমেরিকার দেশগুলোতে শুক্রবার ঈদ উদয়াপিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখতে না পারায় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার (আশিয়ান) দেশগুলো এবং অস্ট্রেলিয়ায় ৩০ রমজান পূর্ণ করে শনিবার ঈদ উদয়াপিত হবে।

এক মাসের সিয়াম সাধনার পর উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ মেতে উঠবে আনন্দ উৎসবে। যারা এক মাস রোজা রেখে অভুক্ত থাকার কষ্টকে অনুভব করেছেন, নামাজ, তারাবি, ইবাদত-বন্দেগি ও ইসলামের অনুশাসন পালন করেছেন, তাদের জন্য এ ঈদ আনন্দ উপভোগের, উচ্ছ্বাসের ও শান্তির। তাদের জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের মহাপুরস্কার হচ্ছে ঈদ। আর এ ঈদের দিনেই তাদের ক্ষমা ঘোষণা।

বর্ণনা মতে, এক মাস রোজা রাখার পর মুসলমানরা যখন নতুন ও পছন্দের পোশাক পরে,আতর-খুশবু মেখে ঈদগাহে যাবেন তখন ফেরেশতারা তাদেরকে সংবর্ধনা জানাবে।

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সিলেট শাহী ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রথম ও প্রধান জামা’ত অনুষ্ঠিত হবে। এর পর দরগাহে হযরত শাহজালাল, সরকারি আলিয়া মাদ্রসা মাঠসহ সিলেটর সবকটি ইদগাহে,জামে মসজিদে ও খোলামাঠে ঈদুল ফিতরের জামা’ত ও খুৎবাহ পাঠ করা হবে।

শেয়ার করুন