১১ এপ্রিল ২০২৩


ভোগান্তির নাম রাবারড্রাম-মহব্বতপুর রাস্তা!

শেয়ার করুন

শাহ্ মাশুক নাঈম, দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) থেকে : রাবারড্রাম থেকে মহব্বতপুর বাজারের রাস্তাটি জনসাধারণের জন্য, ও যানবাহান চলাচলের জন্য মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। তাই প্রতিনিয়তই জনসাধারণ ও যাববাহান চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে পথচারী ও সাধারণ যানবাহন। এ রাস্তা দিয়ে যান চলাচল করা তো দূরের কথা। পায়ে হেঁটে যাওয়াও কষ্টসাধ্য। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হাজার-হাজার মানুষ।

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা-লক্ষীপুর দুই ইউনিয়ন থেকে উপজেলা সদরে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা রাবারড্রাম টু মহব্বতপুর বাজার রাস্তা। এ রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় পণ্য পরিবহনেও পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। এলাকাবাসীর দাবি জনপ্রতিনিধিরা বারবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন এই রাস্তাটি সংস্করণের! তবুও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের ছোঁয়া লাগেনি এই রাস্তাটিতে। গত বর্ষার পানিতে ডুবে থাকায় রাস্তায় বিশাল-বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অসংখ্য জায়গা ভেঙে পড়াসহ লোহার রড বের হয়ে রয়েছে। যার জন্য ঘটতে পারে যে কোন সময় বড় দুর্ঘটনা। প্রতিদিন গর্তের মধ্যে আটকা পড়ছে বিভিন্ন প্রকার যানবাহন। এর ফলে দেখা দিয়েছে জনসাধারণের ভোগান্তি। কখনো যাত্রীবাহী গাড়ি উল্টে ঘটছে দুর্ঘটনা, কখনো আবার যাত্রীরা ভয়ে গাড়ী থেকে নেমে হেটে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির কাজ না হওয়ায় বর্তমানে স্থানে-স্থানে ভেঙে এত বেশি পরিমাণ গর্ত সৃষ্টি হয়েছে যে, গাড়ি চলাচল করতে নানা ধরণের অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষকে উপজেলা ও জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হচ্ছে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, অসুস্থ ও বয়স্ক লোকজনের যাতায়াত অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশীদ আজকের সিলেট ডটকম’কে বলেন, রাবারড্রাম থেকে মহব্বতপুর বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি যানবাহান ও জণ-সাধারণ চলাচলের জন্য একদম অনুপযোগী। রাস্তার যে অবস্থা, কখন যে দূর্ঘটনা ঘটে আল্লাই ভাল জানেন। রাস্তাটি সংস্করের জন্য কোন সরকারি বরাদ্দ এখনো আসেনী। আমি স্হানীয় রাবারড্রাম-মহব্বতপুরবাজার ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করেছি তাদের উদ্যোগে রাস্তাটি মেরামত করে দেয়ার জন্য।

দোয়ারাবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান আল তানভীর আশরাফী চৌধুরী আজকের সিলেট ডটকম’কে বলেন, গত সপ্তাহে এ রাস্তা দিয়ে গিয়েছিলাম দেখলাম এ রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি এ রাস্তার ব্যাপারে। কয়েকদিনের মধ্যে এ রাস্তার কাজ শুরু হবে।

দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম আজকের সিলেট ডটকম’কে বলেন, এ রাস্তাটি সম্পর্কে আমাকে কেউ কোনদিন বলেনি। আমি খোজ নিয়ে দেখবো।

শেয়ার করুন